ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
নওগাঁয় বোরো মৌসুমে নন-ইউরিয়া সারের অতিরিক্ত দাম
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম আপডেট: ২৭.০২.২০২৬ ১১:৪৪ এএম
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি

ধান-চাল উৎপাদনে প্রসিদ্ধ উত্তরাঞ্চলের জেলা নওগাঁয় বোরো আবাদে চলছে ব্যস্ত সময়। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণের গুরুত্বপূর্ণ এই মৌসুমে ইউরিয়া সার সরকার নির্ধারিত দামে মিললেও ডিএপি, এমওপি ও টিএসপি-এই তিন ধরনের নন-ইউরিয়া সার কিনতে গিয়ে কৃষকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

জেলার মান্দা, মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর, পোরশা ও নওগাঁ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এসব সার বিক্রি হচ্ছে খুচরা পর্যায়ে। 

কৃষকদের অভিযোগ, চাহিদা বাড়ার সুযোগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কিছু বিক্রেতা অতিরিক্ত মুনাফা নিচ্ছেন।

খুচরা দোকানে ৫০ কেজির ‘বাংলা ডিএপি’ সার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকায়।
বেসরকারি ভাবে আমদানি করা ‘ডিকে’ ব্র্যান্ডের ডিএপি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী কৃষক পর্যায়ে ডিএপি বিক্রির কথা ১ হাজার ৫০ টাকা। এমওপি ১ হাজার টাকার পরিবর্তে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১২০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকায়। টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়।

কৃষকদের ভাষ্য, সরকার নির্ধারিত পরিবেশকদের কাছে সার থাকলেও অনেক সময় প্রান্তিক চাষিদের তা দেওয়া হয় না। ‘সরবরাহ শেষ’-এমন অজুহাতে তাঁদের পরের মাসে আসতে বলা হয়। ফলে দূরের ডিলার পয়েন্টে না গিয়ে গ্রামের খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

পোরশা উপজেলার মশিদপুর ইউনিয়নের শিশা বাজারে বিএডিসি ডিলার মতিন শাহর গুদামে গিয়ে দেখা যায়, ডিএপি, এমওপি, টিএসপি ও ইউরিয়া-সব ধরনের সারই মজুত রয়েছে। 

মতিন শাহ বলেন, 'এলাকায় বোরো রোপণ প্রায় শেষ। এখন ইউরিয়ার চাহিদা বেশি।' তার দাবি, সরকার নির্ধারিত দামেই সার বিক্রি হচ্ছে।

নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার মোস্তাফিজুর রহমানও সারের কোনো সংকট নেই বলে জানান। ফেব্রুয়ারির বরাদ্দের একটি বড় অংশ এখনও মজুত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'নির্ধারিত মূল্যেই সার বিক্রি করা হচ্ছে।'

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসে জেলায় ইউরিয়া বরাদ্দ ১৪ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন; ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ১৩ হাজার মেট্রিক টন। ডিএপি বরাদ্দ ৪ হাজার ৬৯৩ মেট্রিক টন; বিতরণ হয়েছে ৫ হাজার ৪০৪ মেট্রিক টন (পূর্বের মজুতসহ)। টিএসপি বরাদ্দ ২ হাজার ২০০ মেট্রিক টন; বিতরণ ২ হাজার মেট্রিক টন। এমওপি বরাদ্দ ২ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন; বিতরণ হয়েছে ৩ হাজার ৪৪০ মেট্রিক টন।

কৃষকদের দাবি, বোরো মৌসুমে সারের বাজারে কঠোর তদারকি না থাকলে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে ধানের উৎপাদন ও বাজারদরে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কেএইচ/এমএ


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝