ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
আমাকে বাঁচান, আমাকে সাহায্য করুন: গৃহবধূ মুন্নির আকুতি
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ পিএম আপডেট: ২৪.০২.২০২৬ ১১:০৪ পিএম
X

হার্টে ছিদ্র ও অকেজো ভালভ নিয়ে কোনোমতে বেঁচে আছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ মুন্নি বেগম। পাশে নির্বাক চোখে তাকিয়ে আছে তার দুই ছোট সন্তান। মায়ের এমন কষ্ট দেখে তারা বুঝে উঠতে পারছে না কীভাবে মাকে বাঁচাবে। স্বামী নুরুল ইসলামও পাশে দাঁড়িয়ে আছেন অসহায়ের মতো। সবার চোখেমুখে শুধু হতাশার ছাপ। মুন্নি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছেন, সবার সহযোগিতায় বাঁচতে চাই। আমাকে বাঁচান, আমাকে সাহায্য করুন।

প্রায় দুই বছর আগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গৃহবধূ মুন্নি বেগম হার্ট ও ভালভের রোগে আক্রান্ত হন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুন্নির স্বামী নুরুল ইসলাম পেশায় একজন ভ্যানচালক। স্ত্রীকে বাঁচাতে চিকিৎসার জন্য নিজের সব সম্পদ শেষ করে মোটা অঙ্কের টাকা ধারদেনাও করেছেন। বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রসহ সবশেষে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিয়েছেন। সেখানে চিকিৎসকরা মুন্নির অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার প্রয়োজন। এর আগে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ায় এ পরিবারটি এখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব। অর্থের অভাবে বর্তমানে মুন্নির চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসার অভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন মুন্নি বেগম। তাকে বাঁচাতে দানশীলদের কাছে আকুতি জানাচ্ছেন তার স্বজনরা। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ০১৮৫১৩২৬১২৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে এবং বিকাশ অথবা নগদে আর্থিক সহযোগিতা করতে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

মুন্নি বেগম বলেন, প্রতিদিন ৫০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়। এখন টাকার অভাবে সেই ওষুধ কেনাও বন্ধ আছে। আমি বাঁচতে চাই। আমাকে সবাই বাঁচান।

স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তার ভাতা কার্ডের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বহুবার ঘুরেছি, কিন্তু টাকা দিতে না পারায় চেয়ারম্যান কার্ড করে দেননি। ইতোমধ্যে স্ত্রীর হার্ট ও ভালভের চিকিৎসা ব্যয়ে আমি এখন পথে বসেছি। এখন অপারেশন করতে প্রায় ৯ লাখ টাকা দরকার। এত টাকা জোগাড় করা মোটেও সম্ভব নয়। তাই দেশবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন করছি।

এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহিদ হাসান শুভর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জানান, যেহেতু এককালীন অনুদানের ব্যবস্থা আছে, সেক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন করলে সেটি বিবেচনা করে দেখা হবে। সেই সঙ্গে রোগীকল্যাণ সমিতি থেকেও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি তাকে প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনার আশ্বাসও দেন এ কর্মকর্তা।

টিএইচ/আরএন


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝