ঢাকার গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কুশল কর্মকার। গত বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকা থেকে বরগুনাগামী লঞ্চে বেতাগীতে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলো এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে।
রাতে যে সময় সব কিছু আগুনে পুড়ছে। ঠিক তখনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কনকনে শীতে নদীতে ঝাঁপ দেয় কুশল কর্মকার। পরনের সব পোশাক খুলে ফেলে। এরপর আধা ঘন্টা নদীতে সাঁতার কাটতে থাকে।
এমন সময় তেলবাহী জাহাজ যাচ্ছিল তার পাশ দিয়ে। কুশল ঠান্ডায় কথা বলতে পারেনি। শুধু হাত দিয়ে ইশারা করে। কুশলের ইশারা বুঝে জাহাজ তাকে তুলে নেয়। জাহাজের লোকজন কুশলকে গরম পোশাক পড়তে দেয়। এরপর তারা আমাকে ফোনে দুর্ঘটনায় কথা জানায়। পরের দিন সকালে ঝালকাঠী থেকে কুশলকে বেতাগী পৌর শহরের বাসায় নিয়ে আসি।
শনিবার সন্ধ্যায় অবজারভারকে কথাগুলো বলেন কুশলের বাবা কৃষ্ণ কর্মকার।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, 'আমার ছেলেকে বাঁচিয়েছে ঈশ্বর, ঈশ্বর বাঁচালে কেউ মারতে পারে না।'
মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরা কুশল বলেন, 'আমি যে এই শীতে বেঁচে থাকবো, তা কখনও ভাবিনি। ঈশ্বর আমাকে বাঁচিয়েছে।'
-এমএ