বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কারাগারে থাকা ১৭ জন হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন।
পলাতক দু'জন হলেন, আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই ও জঙ্গিনেতা মাওলানা মো. তাজউদ্দীন এবং হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমায়রা ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর সিদ্দিক ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আনিসুল মোর্সালীন, মুহিবুল মুক্তাকীন, খলিলুর রহমান খলিল, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর, মো. ইকবাল, মাওলানা লিটন ওরফে জোবায়ের ওরফে দেলোয়ার, হারিচ চৌধুরী, বাবু ওরফে রাতুল বাবু, শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই ও আরিফুল ইসলাম আরিফ।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী মোশারফ হোসেন কাজল রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'দুটি মামলায় ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকায় তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে। অথচ অন্য আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার কারণটি তাদের কাছে এখনো স্পষ্ট নয়। রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর তারেক রহমানের সাজা বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।'
অপরদিকে, আসামিপক্ষের অন্যতম কৌশলী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, 'তারা এ রায়ে অসন্তুষ্ট এবং বিচার আদালতে আসামিরা ন্যায় বিচার পাননি।'
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির বহু নেতাকর্মী আহত হন।
রাষ্ট্রপক্ষ হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আদালতে বলেছে, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করে পরবর্তীতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের ক্ষমতায় আসার পথ সুগম করাই ছিল হামলার প্রধান উদ্দেশ্য। একইসঙ্গে জঙ্গি তৎপরতার সুযোগ করে দেওয়াও ছিল উদ্দেশ্য।
দুই দফায় মোট ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে রাজনৈতিক নেতা ৮ জন, পুলিশের কর্মকর্তা ৮ জন, সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা আছেন ৫ জন এবং পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের ৩১ জন।
অভিযোগ আনা হয় ৮ রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। অপর সাতজন হলেন, সাবেক মন্ত্রী জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (ফাঁসি কার্যকর), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সাংসদ শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, বিএনপি নেতা হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ ও কমিশনার আরিফুল ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করে গ্রেনেড হামলা পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা, প্রশাসনিক সহায়তা ও গ্রেনেড সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়। বনানীর হাওয়া ভবন ও আবদুস সালাম পিন্টুর বাসভবনে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বৈঠকে এই নেতারা অংশ নেন। এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
ঘটনা ঘটানোর জন্য আসামি করা হয় ৩১ জঙ্গিকে ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয় পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের মোট ৩১ জন নেতার বিরুদ্ধে। পাঁচটি জঙ্গি সংগঠন হলো, হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি), লস্কর-ই-তাইয়েবা, হিযবুল মুজাহিদীন, তেহরিক-জিহাদি আল ইসলাম এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন। বনানীর হাওয়া ভবন, মোহাম্মদপুরে আবদুস সালাম পিন্টুর ও জঙ্গিনেতা আরিফ হাসান সুমনের বাসভবন, মিরপুর এবং বাড্ডার বাসায় মূল হামলার পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র, গ্রেনেড মজুত রাখার পরিকল্পনা করা হয়।
হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান (অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর) এবং আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দীন। অপর ২৭ জঙ্গি হলেন, শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, আবদুল মাজেদ ভাট, গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা সাব্বির আহমদ, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে ওভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, আরিফ হাসান সুমন, রফিকুল ইসলাম ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ উজ্জ্বল ওরফে রতন, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান, মহিবুল মোত্তাকিন, আনিসুল মোরসালিন, খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি আবদুল হাই ও রাতুল বাবু।
সহায়তার অভিযোগ পুলিশের ৮ জনের বিরুদ্ধে হামলা করে জঙ্গিরা যাতে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে পারে, সে ব্যাপারে সহায়তা করার অভিযোগ ছিল পুলিশের সাবেক ৩ মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) আটজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেননি। তদুপরি হামলার পর তদন্তের সময় প্রকৃত আসামিদের আড়াল করতে তদন্ত ভিন্ন খাতে নিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করেন।
এই আট পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, সাবেক আইজিপি শহুদুল হক, সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা, সাবেক উপকমিশনার খান সাঈদ হাসান, সাবেক উপকমিশনার ওবায়দুর রহমান খান, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সি আতিকুর রহমান ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রশীদ।
সামরিক বাহিনীর সদস্য ৫ জন হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের সাবেক পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে দু'জনের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলার আলামত ধ্বংস করার অভিযোগ আনা হয়। বাকি তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়। ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী এবং এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহীমের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন, ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার এবং খালেদা জিয়ার ভাগনে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউকের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনাকারী মাওলানা তাজউদ্দীনকে বিদেশে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়।
তদন্ত ২১ আগস্ট হামলার মামলায় তদন্ত শেষে সিআইডির এএসপি ফজলুল কবীর ২০০৮ সালের ১১ জুন হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে আদালতে দুটি অভিযোগপত্র জমা দেন। তাতে সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ছাড়াও ২১ জঙ্গিকে আসামি করা হয়।
অধিকতর তদন্তের আসামি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিআইডি এ মামলার অধিকতর তদন্ত করে এবং ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়। তাতে আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়। তাঁরা হলেন, তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সাবেক সাংসদ শাহ মোহাম্মদ কায়কোবাদ, খালেদা জিয়ার ভাগনে সাইফুল ইসলাম (ডিউক), এনএসআইয়ের সাবেক দুই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম ও মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার, ডিজিএফআইয়ের মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, পুলিশের সাবেক তিন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি খান সাইদ হাসান ও মো. ওবায়দুর রহমান, জোট সরকারের আমলে মামলার তিন তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আবদুর রশিদ, হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ এবং হুজি-বির ১০ জন নেতা। কারাগারে আটক ৩১ জন ১. সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২. সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ৩. ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন ৪. মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী ৫. এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম ৬. জঙ্গি শাহদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল ৭. মাওলানা শেখ আবদুস সালাম ৮. মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট ৯. আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম ১০. মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু উমর আবু হোমাইরা ওরফে পীর সাহেব ১১. মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির ১২. মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ১৩. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে ওভি ১৪. মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর ১৫. আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল ১৬. মো. জাহাঙ্গীর আলম ১৭. হাফেজ মাওলানা আবু তাহের ১৮. হোসাইন আহমেদ তামিম ১৯. মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ২০. আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক ২১. মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ২২. মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন ২৩. হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া ও আবু বক ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার ২৪. লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক ২৫. সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা ২৬. সাবেক আইজিপি শহুদুল হক ২৭. সাবেক আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী ২৮. তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন ২৯. সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ৩০. এএসপি আবদুর রশীদ ৩১. সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম
পলাতক আসামি ১৮ জন ১. তারেক রহমান ২. হারিছ চৌধুরী ৩. মাওলানা মো. তাজউদ্দীন ৪. মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন ৫. আনিসুল মোরসালিম ওরফে মোরসালিন ৬. মো. খলিল ৭. জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর ৮. মো. ইকবাল ৯. লিটন ওরফে মাওলানা লিটন ওরফে দেলোয়ার হোসেন ওরফে জোবায়ের, ১০. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ১১. মো. হানিফ, ১২. মুফতি আবদুল হাই, ১৩. রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু ১৪. লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার ১৫. মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন ১৬. ডিআইজি খান সাঈদ হাসান (সাবেক ডিসি পূর্ব) ১৭. পুলিশ সুপার মো. ওবায়দুর রহমান খান ১৮. মুফতি শফিকুর রহমান
অন্য মামলায় এরমধ্যেই ফাঁসি হয়ে গেছে ১. জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ২. জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ৩. শহিদুল আলম বিপুল