ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
জিয়াউর রহমানের অবদানেই দেশের অর্জন ও সাফল্য: ঢাবি উপাচার্য
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪১ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

আজ বাংলাদেশে যা কিছু সুন্দর ও সফল, তার সবকিছুর পেছনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। 

তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকে থাকত কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো। এমনকি বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবেও পরিচিত হতে পারত।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর ছিল সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতির দিন। ওই দিন সিপাহী ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে বন্দি অবস্থায় থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে আনেন। পরে দেশের প্রয়োজনে তাঁকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়ে আসেন। তাঁর মতে, এ ঘটনা ছিল জাতীয় ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ, যা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।

১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ১৫ আগস্টের পর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল। একের পর এক অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের কারণে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির তৎপরতায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে সিপাহী-জনতার সম্মিলিত ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক গতিপথ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষ প্রত্যাশিত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর নির্যাতন, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম এবং বিরোধী মত দমনের মতো ঘটনা ঘটেছে। একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ফলে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়। সে সময় চারটি সংবাদপত্র ছাড়া অন্য সব পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উপাচার্য আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে। তাঁর প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একটি অভিন্ন পরিচয়ের আওতায় নিয়ে আসে। বাঙালি, চাকমা, মারমা, গারো, খাসিয়া ও মুরংসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে এই পরিচয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর হাত ধরে দেশে উন্নয়নমুখী রাজনীতির সূচনা হয়। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। এ কারণে ৭ নভেম্বরকে শুধু একটি দিবস হিসেবে নয়, জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই চেতনাকে ধারণ করে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশকে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি এ উদ্যোগে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

এসএস 
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝