যথাযোগ্য মর্যাদায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অডিটোরিয়ামে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি বাদলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম শাহ।
বক্তারা বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে দিনটিকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। এসময় তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা স্মরণ করেন এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয় তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রসার, তৈরি পোশাকশিল্পের ভিত্তি স্থাপন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, কৃষি বিপ্লব এবং খাল খনন কর্মসূচিসহ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে আয়োজিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতা, মালয়েশিয়া বিএনপির নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
টিআই