ফিফা প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৫ পর্যায়ে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। সেই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পঞ্চম স্তরে (ই) রানার্স-আপ হয়েছে। আজারবাইজাইনের বাকু থেকে আজ দেশে ফেরা সেই দলকে ফেডারেশন প্রাঙ্গনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
আজারবাইজানের টুর্নামেন্টটি মূলত ফেস্টিভ্যাল। তরুণ প্রজন্মকে ফুটবলে আকৃষ্ট ও মান উন্নয়নের জন্য এই প্রচেষ্টা ফিফার। এই আসরে মূল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। বাংলাদেশ ১৮৭ দেশের মধ্যে ১৩০ তম হয়েছে। এরপরও বাফুফে এই অর্জনকে অনেক বড় করে দেখে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফুটবলারদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন। বাফুফে সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী এই দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফসহ সকলকে ৫০ হাজার টাকা করে দেন আজ। ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর তিনি ১০ লাখ টাকা বোনাসের ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশ পাঁচ নম্বর স্তরে রানারআপ হলেও কয়েকজন ফুটবলার আশাব্যাঞ্জক পারফরম্যান্স করেছেন। বিশেষ করে গোলরক্ষক শ্রীনাথ হালদার দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে দারুণ সেভ করেছেন। আরও কয়েকজন ফুটবলার অন্য দেশের ক্লাবে নজর কেড়েছেন। বয়স ভিত্তিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিভা থাকলেও সেটা হারিয়ে যায়। এই ফুটবলাররা যেন হারিয়ে না যায় সেই দায়িত্ব নিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী,‘ফলাফল যাই হোক কিংবা অবস্থান। আমাদের ফুটবলারদের সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা সত্যি। তাদের উৎসাহিত করতেই আমি এসেছি। দীর্ঘমেয়াদে প্রশিক্ষণ করে তারা যেন বড় ফুটবলার হতে পারে এই বিষয়টি বাফুফে দেখবে। এই বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকেও আমরা প্রয়োজনীয় সহায়তা করব।’
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন,‘আমরা তৃণমূল ফুটবল নিয়ে কাজ করছি। বিশ্বকাপে আমাদের ছেলেদের এই পারফরম্যান্স সেটারই প্রদর্শন। প্রায় এক বছর সময় নিয়ে দেশব্যাপী অ-১৫ টুর্নামেন্ট হয়েছে। এরপর বাছাই করে সেখান থেকে ক্যাম্প করেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে। আমরা অনুশীলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখব। মাননীয় মন্ত্রী আমাদের পাশে রয়েছেন।’
টিআই