সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমকে জরুরি নয়, বরং পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উল্লেখ করার অনুরোধ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলবে।
সোমবার (২ নভেম্বর) মহেশখালী থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সামিট এলএনজি টার্মিনাল (এসএলএনজি) এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টার্মিনালের এ রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম অনেক আগেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। বার্ষিক পরিচালনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ বিষয়ে পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, গ্যাস পুনঃগ্যাসীকরণের চাহিদা, এলএনজি কার্গো আসার সময়সূচি এবং শিপ-টু-শিপ (এসটিএস) কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছুদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের বিস্তারিত প্রস্তুতি ও সমন্বয় করা হয়েছে।
জাতীয় গ্যাসের চাহিদা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সর্বনিম্ন রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শীতের শুরুর এ সময়টিকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলের সঙ্গে পরামর্শ এবং পরিচালনাগত পর্যালোচনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি অনুমোদন করেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সামিট এলএনজি জানায়, বিশ্বব্যাপী এলএনজি অবকাঠামোর নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও দক্ষ পরিচালনা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিয়মিত ও পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য। যথাযথ পরিকল্পনা ও পূর্বানুমোদনের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় জ্বালানি অবকাঠামোর স্থায়িত্ব ও পরিচালনগত নির্ভরযোগ্যতা বজায় থাকে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সামিট এলএনজি অনুরোধ জানিয়েছে, নির্ধারিত এ কার্যক্রমকে ‘জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ না করে যথাযথভাবে ‘পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করা হোক।
এফএস