ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
শেরপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৩ পিএম
X
Advertisement

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের গোসাইবাড়ি বাজার-মহিপুর-গাড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও মাটিমিশ্রিত উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পুরোনো ও নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কাজ চলছে ধীরগতিতে। এতে সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

৩১ অক্টোবর সরেজমিনে গিয়ে সড়কটির বিভিন্ন অংশে নির্মাণসামগ্রী ও কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষের কথা জানা যায়। তাঁদের অভিযোগ, কোথাও মাটিমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে, আবার কোথাও আগের ভাঙা ও নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়েই কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ‘মাটি মেশানো খোয়া দিয়েই রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। যেভাবে কাজ হচ্ছে, তাতে রাস্তাটি বেশিদিন টিকবে না। আগের খারাপ ইটের কিছু অংশও এখানে ব্যবহার করা হয়েছে।’

আরেক বাসিন্দা মো. রাফি বলেন, নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। মানসম্মত খোয়া ব্যবহার করলে রাস্তাটি টেকসই হতো। কাজের গতিও খুব ধীর। এতে স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে। অভিযোগ ওঠা কিছু জায়গায় নতুন করে কাজ করা হলেও মহিপুর বাজার অংশে এখনো নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা বাহার আলীর অভিযোগ, আগের মাটিমিশ্রিত খোয়াই সড়কে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকমতো রোলারও করা হয়নি। ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খোয়া বের হয়ে আছে।

সড়কটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ইমপ্রুভমেন্ট অব রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (আইআরআইডিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটি নেওয়া হয়। কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫৪ টাকা এবং চুক্তিমূল্য ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৬ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিফাত ট্রেডার্স। ২০২৬ সালের ১০ জুন কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর কাজ শেষ হওয়ার কথা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেসব স্থানে সমস্যা ছিল, সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সড়কের সব ধরনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন। সড়কটিতে আগে থেকেই এইচবিবি ও সলিংয়ের পুরোনো ইট ছিল, যার মূল্য ছিল ১৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। ওই ইট ভেঙে ব্যবহার করা হয়েছে। অতিরিক্ত উপকরণ হিসেবে ডব্লিউবিএম ব্যবহার করা হয়েছে। পুরোনো ইটের সঙ্গে থাকা বালু নেটিং করে কাজে লাগানো হয়েছে। বাকি অংশে নতুন পিকেট ইট এনে ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এরপরও কাজের মান নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএ/আরএন
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১
E-mail: [email protected], [email protected]. [email protected], [email protected], [email protected], ‍[email protected], Online-email: [email protected]

🔝
Advertisement