ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে একটি পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় পুকুরের মালিকের আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, পুকুরের পাশের গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তিনটি সন্দেহজনক কৌটা পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) এ ঘটনা জানা যায়। এর আগে রোববার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নের সনগাঁও সরকারপাড়া গ্রামের মোছা. আশরাফুন্নাহার (৪৮), স্বামী মৃত কামরুজ্জামানের প্রায় এক একর আয়তনের পুকুরে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
প্রাথমিক তথ্যমতে, এ ঘটনায় আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুরের দক্ষিণ পাশে শফিকুল চৌধুরীর ইউক্যালিপটাস গাছের বাগানে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তিনটি কৌটা দেখতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে দুটি কৌটা লাল কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল এবং অপর একটি কৌটার ঢাকনা খোলা ছিল। স্থানীয় খলিল (৩৫), পিতা সোহাগু, কৌটাগুলো গাছ থেকে নামান বলে জানা গেছে। খোলা কৌটার ভেতরে বারুদ ও তারকাঁটার মতো বস্তু দেখা যায় বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম বলেন, “ঘটনাটি আমি পরিদর্শন করলাম।”
ঘটনায় কারা জড়িত, কীভাবে পুকুরের মাছ নিধন করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক কৌটাগুলোর প্রকৃত পরিচয় কী, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
এসএস