আজ বিশ্ব ডিম দিবস। পুষ্টিগুণ, সহজলভ্যতা ও খাদ্যনিরাপত্তায় ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার দিবসটি পালিত হয়।
১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া এ আয়োজনের ৩০ বছর পূর্ণ হচ্ছে এ বছর।
ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি১২, কোলিন ও সেলেনিয়ামের উৎস। শরীরের বৃদ্ধি, পেশি গঠন এবং মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এসব পুষ্টি উপাদান ভূমিকা রাখে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক বিভিন্ন বয়সের মানুষের সুষম খাদ্যতালিকায় ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশে পোলট্রি খাতের বিস্তারে ডিমের উৎপাদন ও সরবরাহ বেড়েছে। তবে উৎপাদন বাড়লেই সবার জন্য ডিম সাশ্রয়ী হয় না। মুরগির খাবার, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে খামারিরা চাপের মুখে পড়েন; অন্যদিকে বাজারদর বেড়ে গেলে নিম্ন আয়ের পরিবারের পুষ্টিকর খাবার কেনার সক্ষমতা কমে যায়।
এ পরিস্থিতিতে উৎপাদকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে স্বচ্ছতা, নিরাপদ সংরক্ষণ এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। বিদ্যালয়ের খাবার কর্মসূচিতে ডিম অন্তর্ভুক্ত করা গেলে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় খামারিদের জন্যও বাজার তৈরি হতে পারে।
বিশ্ব ডিম দিবসের মূল বার্তা হলো শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং নিরাপদ ও সাশ্রয়ী দামে ডিম সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
এফএস