ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার পর্যটক বাসে আগুন লেগে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক নারীও রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
বুধবার রাতে দিল্লি থেকে মহোবার উদ্দেশে যাত্রা করা বাসটিতে প্রায় ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। অধিকাংশ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাসের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থায় বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ইঞ্জিনের লুব্রিকেটিং অয়েল আগুনে জড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুন লাগার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে বাস থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। ধোঁয়ায় বাসের ভেতর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না এবং বের হতে গিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও জেওয়ার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ শুরু করে।
এক যাত্রী জানান, ঘুমের মধ্যে দরজায় ধাক্কার শব্দে তার ঘুম ভাঙে। তখন বাসের ভেতর ধোঁয়ায় ভরে গেছে। কোনো জিনিস নেওয়ার সুযোগ না পেয়ে শুধু মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে তিনি বের হওয়ার চেষ্টা করেন।
নরেন্দ্র মোদি নিহতদের পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেককে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনিও নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
এফএস