মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১৪) পাঁচ দিন আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজু আহমেদ (২২) ও জুবেল মিয়া (৩০)। এ মামলার আরেক আসামি কবির (৩০) পলাতক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান আসামি জাহেদ আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে ওই শিক্ষার্থীর পরিচয় ও কথিত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তাকে রাজনগরের বাহাদুরগঞ্জে জুবেল মিয়ার বাড়িতে নেওয়া হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে সহযোগীদের নিয়ে রাতভর ওই শিক্ষার্থীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে জাহেদের বাড়িতে আটকে রেখেও নির্যাতন চালানো হয় ।
‘পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কিশোরীকে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একটি সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যান আসামিরা। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন’, বলেন তিনি।
ওসি কমর উদ্দিন বলেন, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার কলিমাবাদ, গিয়াস নগর ও রাজনগরের গাঙপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
পলাতক আসামি কবিরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন শুভ /এসএফ