ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় ছাত্রীর পরিবার
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
X
Advertisement

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের দিনের দিশারী মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা হাছান আলীর বিরুদ্ধে এক সাবেক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাদরাসা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদরাসা-সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের ওই ছাত্রীর বাবা স্ত্রী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে মাদরাসা প্রাঙ্গণে যান। এ সময় অভিযোগকারী মেয়েটিও তাদের সঙ্গে ছিলেন। সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে স্থানীয়রা তাদের আটকে রাখেন।

পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় এক মাস আগে হাছান আলীর বিরুদ্ধে ওই সাবেক ছাত্রীকে স্পর্শ করার অভিযোগ ওঠে। পরে অভিযোগের বিষয়টি সামনে রেখে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কয়েক দিন আগে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও দাবি করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাছান আলী বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। তিনি ওই ছাত্রীকে সন্তানের মতো দেখতেন। দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় তার কাছ থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা কম নেওয়া হতো বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে ছাত্রীর বাবা বলেন, তারা কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে আসেননি এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা মব তৈরির চেষ্টা করেননি। তার মেয়ের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার চান তারা।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হুদা বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করা হবে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তিনি নিজেও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। মেয়ের পরিবারের অভিযোগ থাকায় তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের থানায় নেওয়ার অন্য কোনো কারণ নেই। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিএইচ/আরএন
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement