পদ্মা ব্যারাজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ২৬ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সাইট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “পদ্মা ব্যারাজ খুবই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি প্রকল্প। এটি বাস্তবায়ন হলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।”
তিনি বলেন, ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সময় প্রকল্পটির কারিগরি সমীক্ষা করা হয়েছিল। ২০২৬ সালে এসে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন তাঁর নেতৃত্বেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসের যেকোনো সময়ে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারাজের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কারিগরি সমীক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের একটি দল কাজ করছে। দেশীয় অর্থায়নে সাত বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হারুন অর রশিদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা প্রশাসক আফরোজা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি আসলাম মিয়াসহ প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএন