বিচার বিভাগে জনকল্যাণমূলক ও উদ্ভাবনী বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে মামলাজট কমানোর পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার সচিবালয়ে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়নে আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবীদের সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি আজকের আলোচনার প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট বার বিষয়টির নিষ্পত্তি করেছেন।
ঘটনাটিকে বার ও বেঞ্চের অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কখন কীভাবে এটার সমাধান করতে হয়, সে বিষয়ে তারা যথেষ্ট দক্ষ।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগে জনকল্যাণমূলক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
লিগ্যাল এইড কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন মামলা দায়েরের প্রবাহ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যমান মামলার সংখ্যাও কমানো সম্ভব হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মানিকগঞ্জের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে এক বছরের মধ্যে বিদ্যমান মামলার প্রায় ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
যেসব মামলা সহজে নিষ্পত্তি করা সম্ভব, সেগুলো মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর ঝুলে থাকছে না। অন্যান্য জেলাও মানিকগঞ্জের এই উদ্যোগ অনুসরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মাদক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ঝিনাইদহের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেখানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ উদ্যোগে বিচার বিভাগ, পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের অন্যান্য আদালত ও জেলাতেও কার্যকর উদ্যোগগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মামলা জট কমানো সম্ভব হবে।
এসএ