পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দ্রুত হস্তক্ষেপে দীর্ঘ ১২ দিন পর বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে পেয়েছে সাতটি অসহায় পরিবার। একই সঙ্গে বেআইনিভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অপরাধে ঘটনার প্রধান অভিযুক্তকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার নদমূলা গ্রামে ফজলুল হক সপোই (৬২), তার ছেলে লিয়াকত হোসেন সপোই ও সহযোগী জিল্লি হাওলাদার মিলে একই গ্রামের জাকির সপোই, আয়শা বেগম, শামীম সপোই, সৈয়দ সেলিম, ইউনুচ সপোই, আবদুস ছালাম সপোই ও শহিদুজ্জামানের সাতটি পরিবারের বসতঘরের বিদ্যুৎ মিটারের সংযোগ তার কেটে দেন।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদের খুন ও জখমের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে কুলসুম বেগম ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হাসান ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৩৯(২) ধারা অনুযায়ী ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ফজলুল হক সপোইকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে ওই রাতেই বিচ্ছিন্ন করা সাতটি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়।
দীর্ঘ ১২ দিন পর নিজেদের ঘরে বিদ্যুৎ ফিরে পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা।
আরএম/আরএন