ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৬ পিএম আপডেট: ০৭.০৭.২০২৬ ৫:৪১ পিএম
X Advertisement

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে। কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টির পর নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে দ্রুত পানি জমতে থাকে। এতে বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

ভারী বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের পানি মিলিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। নগরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। একই সঙ্গে পাহাড়ধসের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন অনেক বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী। সড়কে পানি জমে থাকায় গণপরিবহন চলাচল কমে গেছে, ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।

সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে পতেঙ্গা, হালিশহর, রামপুরা, আগ্রাবাদ, ২ নম্বর গেট, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, প্রবর্তক, বেপারীপাড়া ও মোহরা এলাকায়। এসব এলাকায় কর্মজীবী মানুষ, পথচারী, জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া নাগরিক এবং খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। জলাবদ্ধতার কারণে নগরীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।

অন্যদিকে, নগরের আমবাগান আবহাওয়া কেন্দ্রের ইনচার্জ বিজন রায় জানান, একই সময়ে আমবাগান এলাকায় ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে সকালে জলাবদ্ধ এলাকার পরিস্থিতি পরিদর্শনে বের হন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, “ভারী বৃষ্টির কারণে নিচু কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি ধীরে ধীরে নেমে যাবে।”

এমএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707297 Advertisement: 41053012; 01550707291, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝