📍 ঢাকা 📅 সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
বাজেট ৩০ লাখ কোটি টাকা হওয়া উচিত ছিল: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম আপডেট: ২৭.০৬.২০২৬ ১০:১৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X Advertisement

সংগৃহীত ছবি

সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের উন্নয়ন চাহিদার হিসাব করলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার কমপক্ষে ৩০ লাখ কোটি টাকা হওয়া উচিত ছিল। তবে এত বড় বাজেট হলেও জনপ্রতিনিধিদের সব চাহিদা পূরণ হতো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বাজেটের আকার বড় বা ছোট হওয়া দিয়ে তার সফলতা নির্ধারণ করা যায় না। একটি বাজেটের পেছনে নির্দিষ্ট দর্শন ও লক্ষ্য থাকে। দেশকে কোন পথে এগিয়ে নেওয়া হবে এবং জনগণের চাহিদা কীভাবে পূরণ করা হবে, সেই বিবেচনায় বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পরই বলেছিলেন, 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান'। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই অর্থমন্ত্রী এ বাজেট প্রণয়ন করেছেন।

বাজেটের আকার নিয়ে সমালোচনার জবাবে গয়েশ্বর বলেন, গত অধিবেশনে প্রায় সব সংসদ সদস্যই নিজ নিজ এলাকায় স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং শত শত মাইল সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এসব চাহিদার ব্যয় হিসাব করলে বাজেটের আকার কমপক্ষে ৩০ লাখ কোটি টাকা হওয়া উচিত ছিল।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বাজেট সব সময়ই ঘাটতির হয়। পারিবারিক বাজেটে আয় অনুযায়ী ব্যয় করা হলেও রাষ্ট্রীয় বাজেটে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয়ের পরিকল্পনা করে পরে আয়ের ব্যবস্থা করা হয়। তাই ঘাটতি বাজেট নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

দুর্নীতিকে বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেই হবে না, এটিকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কর আদায়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে কেউ কেউ রাষ্ট্রের রাজস্ব বৃদ্ধির চেয়ে ব্যক্তিগত লাভে বেশি মনোযোগী হন। এই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে পারলে বাজেট বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে।

বাজেট আলোচনায় তিনি নিম্নআয়ের মানুষের কথাও তুলে ধরেন। এক রিকশাচালকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিড়ির ওপর কর কিছুটা কমানো হলে দরিদ্র মানুষ ও তামাকচাষিরা উপকৃত হতে পারেন।

সংসদ সদস্যদের জন্য ওয়াশিং মেশিন বরাদ্দের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সংসদ দিলেও তিনি তা নেবেন না। দেশের মানুষের আরও অনেক জরুরি প্রয়োজন রয়েছে, সেই তুলনায় বর্তমান বাজেট এখনও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল।


-টিএস
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707297 Advertisement: 41053012; 01550707292, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝