কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মাইক্রোবাসকে ট্রাকের চাপা দেয়ার ঘটনায় বাবা ও মেয়েসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও নয় জন।
মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে নাগেশ্বরী পৌরসভার বাঁশের তল নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলকুড়ি ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকার শামীম (৪৬), তার মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৮), একই এলাকার সাইফুর রহমানের ছেলে মাইক্রোবাসচালক লিমন মিয়া (৪৮), তার মেয়ে মুন আক্তার (১০) ও জাহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী মিয়া (২৮)।
এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার রাতে ভুরুঙ্গামারী ধলডাঙ্গা চরাঞ্চল থেকে ভুট্টা বোঝাই একটি ট্রাক ভুরুঙ্গামারী-কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক সড়ক ধরে নাগেশ্বরী অভিমুখে আসছিল। একই সড়ক ধরে বিপরীত দিক রংপুর থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ফিরছিল ভুরুঙ্গামারী। পথে পৌরসভার বাঁশের তল নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুমড়ে মুচড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। গুরুতর আহত হয় মাইক্রোবাসের সকল যাত্রী।
খবর পেয়ে এলাকাবাসীর সাথে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের একটি টিম। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে দ্রূত উদ্ধার করে নেয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানেই মারা যায় শিশু সাদিয়া, নুরনবী মিয়া ও লিমন মিয়া। বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় কুড়িগ্রাম জেলা সদর হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে নেয়ার পথে মারা যায় শিশু সাদিয়ার বাবা শামীম, লিমনের মেয়ে মুন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের বিছানায় আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ধলডাঙ্গার তায়মানা বেগম (৪০), নিহত চালক লিমনের স্ত্রী জবা বেগম (৪০), শিলখুড়ির শান্না (২১), মনির আলী (৫৫), সমির উদ্দিন (৬০), শিউলি বেগম (৪০), সিয়াম (৩৫), সিপাত (১২) ও মমিমুল ইসলাম।
নাগেশ্বরী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান বলেন, 'এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।'
কেএস/এমএ