খুলনা মহানগর পুলিশের অভিযানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় ধাক্কা দেওয়া প্রাইভেটকার চালক মো. আহাদ শেখ সৈকতকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঈুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৫০ মিনিটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতার সঙ্গে রিকশাযোগে যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় জেলা পরিষদের সামনে পাকা সড়কে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে একটি বেপরোয়া গতির প্রাইভেটকার রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২ এপ্রিল খুলনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেবব্রত বিশ্বাস ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত গাড়িটি শনাক্ত করেন।
এরপর ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে খুলনা সদর থানার করোনেশন স্কুলের পেছনে কাজী আমিনুল হকের বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে একটি নীল রঙের টয়োটা (রেজিস্ট্রেশন নম্বর খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারটির চালক মো. আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানতে চাইলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া প্রাইভেটকারটির চালক মো. আহাদ শেখ সৈকতকে আজ আদালতে পাঠিয়ে পাঠিয়ে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। কিন্তু আদালতে আজ রিমান্ডের শুনানী হয়নি। তাকে খুলনা জেলা কারাগারের পাঠানো হয়েছে।
এসএমএস/এসআর