বরগুনার আমতলীতে ধানের কুড়া ক্রয়কে কেন্দ্র করে ঈদের দিন ছয় জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। তাদের মধ্যে মো. সজীব রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহতের ভাই মো. হাসান বলেন, 'আমার বাবা আয়নালী আকন ও একই গ্রামের মো. সোনা মিয়া প্যাদার সাথে ধানের কুড়া ক্রয়ের ১০০ টাকা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত শনিবার (২১ মার্চ) সকালে সোনা মিয়া, তোতা মিয়া, আতাহার প্যাদা, বশির প্যাদা, বেল্লাল প্যাদা মেহেদী হাসান, মাসুম প্যাদা, সোহেল প্যাদা, জিহাদ হোসেন দেশীয় অস্ত্র- দা, রামদা, ছেনা, বাঁশের লাঠি নিয়ে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে ভাংচুর করে। সেই সময় আয়নালী আকন, সজিব, আল-আমিন, রহুল আমিন ও রোকেয়া বেগমকে কুপিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।'
তিনি বলেন, 'আহতদের স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে ভর্তি করার পরে তাদের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আহতদের মধ্যে মো. সজিব (২৩) ঢামেক হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে সজিব মারা যান।'
তিনি বলেন, 'এ ঘটনায় ২২ মার্চ রাতে সন্ত্রাসী মো. সোনা মিয়া প্যাদা কে ১ নং আসামি করে ১৩ জনসহ ৮/৯ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিহতের ভাই মো. রুহুল আমিন বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।'
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, 'মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আট জন আদালতের আদেশে জামিনে রয়েছেন। চার জন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।'
এসকে/এমএ