নাগেশ্বরীতে ঘর থেকে এক গৃহবধুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে ঐ গৃহবধুর স্বামী। নিহত মহিমা বেগম (৪৫) ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী।
সোমবার ভোরে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পরিবার জানায়, বাবলু মিয়া তার স্ত্রী মহিমা বেগম, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। গত দুই সপ্তাহ আগে সবাইকে নিয়ে বাড়িতে আসেন। রবিবার সন্ধ্যায় তাদের ঢাকা যাওয়ার কথা থাকলেও তারা যায়নি। অন্যান্য দিনের মত রাতের খাবার খেয়ে তারা নিজ নিজ ঘরে শুয়ে পড়েন।
সোমবার ভোরে সবার আগে ঘুম থেকে উঠেন বাবুল মিয়ার মা সুফিয়া বেগম। ছেলে ও বৌমাকে ডাকতে গিয়ে দেখেন তাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে ছিটকিনি দিয়ে আটকানো। পরে দেখেন শুধু তার ছেলের ঘর নয় সব ঘরের দরজা একইভাবে আটকানো। এটি দেখে তিনি চিৎকার চেচামেচি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ীর অন্যান্যরা জেগে উঠেন কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় বেরুতে পারছিলেন না। পরে তিনি বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে মেহেদী হাসানের ঘরের ছিটকিনি খুলে দেন। এরপর সে বাইরে বের হয়ে তার বাবার ঘরের দরজা খুলে দেখেন তার মায়ের নিথর দেহ রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। পাশে পড়ে আছে একটি ধারালো ছুরি। এটি দেখে তার বাবাকে সে ডাকতে থাকে। তবে তাকে কোথাও খুঁজে পায়নি তারা।
খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
কেএসবি/ এসআর