যশোরে মাকে নৃশংসভাবে হত্যার আলোচিত মামলার আসামি সাবেক শিক্ষক মামুনুর রশিদ মামুন (৪৫) মারা গেছেন। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর রাত ৮টা ২০ মিনিটে খুলনা আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনায় পাঠানো হয়েছিল।
মামুন যশোরের ঝিকরগাছার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। তাঁর বাবার নাম প্রয়াত আলতাফ হোসেন মাস্টার এবং মায়ের নাম আনোয়ারা বেগম (৫৮)।
২৭ আগস্ট যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামে মায়ের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ধারালো বঁটি দিয়ে আঘাত করেন মামুন। এতে তাঁর মা আনোয়ারা বেগমের (৫৮) মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মামুনের দুটি বিয়ে হয়েছিল। দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য তিনি মাকে দায়ী করতেন। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে আগেও তাঁর বিরোধ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে পাবনা মানসিক হাসপাতালে দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
কারাগারে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এফএস