মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচিং স্টাফে বড় পরিবর্তন এসেছে। লাসিথ মালিঙ্গা ও পারস মামব্রেকে দুই বোলিং কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বিদায় দেওয়া হয়েছে ফিল্ডিং কোচ কার্ল হপকিনসনকেও।
এর আগে মাহেলা জয়াবর্ধনেকে সরিয়ে কাইরন পোলার্ডকে কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভারতের সাবেক ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপও মুম্বাইয়ের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যোগ দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে কোচিং স্টাফের সদস্যদের বিদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি মালিঙ্গাকে তাদের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও আইকনিক ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করেছে।
খেলোয়াড় হিসেবে মুম্বাইয়ের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি চারটি আইপিএল শিরোপা ও ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টি জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি মালিঙ্গা। পরে মেন্টর ও কোচ হিসেবেও দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
বিবৃতিতে মুম্বাই জানায়, মালিঙ্গার আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতা ও দলের প্রতি নিবেদন বিভিন্ন প্রজন্মের খেলোয়াড়কে অনুপ্রাণিত করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ইতিহাসে তাঁর অবদান সব সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
২০২৪ সালে ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর মুম্বাইয়ের বোলিং কোচের দায়িত্ব পান পারস মামব্রে। দুই মৌসুম দলটির ডাগআউটে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এমআই এমিরেটসের বোলিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
তবে মুম্বাইয়ের সঙ্গে মামব্রের সম্পর্ক আরও পুরোনো। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরেই দলটির সাপোর্ট স্টাফে ছিলেন তিনি। পরে ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্তও দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর ওই সময়ে মুম্বাই প্রথম আইপিএল শিরোপা জেতে এবং ২০১১ ও ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টির শিরোপা জয় করে।
মামব্রের অভিজ্ঞতা, নিষ্ঠা ও দলের সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর ধারণার প্রশংসা করেছে মুম্বাই। বোলারদের প্রতিভা বিকাশে তাঁর অবদান এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে গড়ে তোলা সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
অন্যদিকে, ২০২৫ মৌসুমের আগে মুম্বাইয়ের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন কার্ল হপকিনসন। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড পুরুষ দলের প্রধান ফিল্ডিং কোচ ছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে অবদান ছিল তাঁর।
এসএস