ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
চীনের ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৩ পিএম আপডেট: ১৪.১০.২০২৬ ১:১৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

চীনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতায় ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ ও সরাসরি বিনিয়োগের দিকে যেতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দেশটির কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশা করেছে সরকার।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সার্বিকভাবে যে ইনভেস্টমেন্টের বেলায় যে চাইনিজ কো-অপারেশন, আমরা যেটা সাপোর্টটা আছি, এই সাপোর্টের আমরা ফাইন্যান্সিয়াল আর্কিটেকচার পরিবর্তন করার কথা বলছি। যেমন খালি শুধুমাত্র সভরেন লোন, ওডিআই লোন এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে কিছু ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্টে যাওয়া দরকার।

তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ ডেট থেকে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে আমরা বিনিয়োগের দিকে যাচ্ছি, পার্টনারশিপে যাচ্ছি। সুতরাং চাইনিজ যে আগামী দিনে যে বিনিয়োগগুলো হবে সেটা ঋণের থেকে সরে এসে ক্রমান্বয়ে বিনিয়োগের দিকে যাতে আমরা যেতে পারি সেটা আলোচনা হয়েছে এবং এই ব্যাপারে আমরা আশা করি একটা পরিবর্তন আসবে।’

যৌথ বিনিয়োগ ও সরাসরি বিনিয়োগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, যৌথ বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ একটা বিনিয়োগের ওপর ওরা জোর দিচ্ছে। কারণ এই সরকারের মেইন কিন্তু আমাদের অর্থনৈতিক পলিসির মধ্যে যেটায় আমরা জোর দিচ্ছি সেটা বিনিয়োগের ওপরে।

আমরা ঋণ থেকে সরে এসে ক্রমান্বয়ে বিনিয়োগের দিকে বেশি যাচ্ছি। সেটা এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি আমরা সেদিকে যেতে পারি- বলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা প্রত্যাশা

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইউএস ট্রেজারির সঙ্গে ইউএস অ্যাসিস্ট্যান্স অন ডেট ম্যানেজমেন্টসহ সার্বিক ইউএস-বাংলাদেশ রিলেশনশিপের ওপর আলোচনা হয়েছে। ইউএস যে যে বিষয়গুলো গ্রান্টের যে একটা আছে আইসিসি, এটা একটা গ্রান্ট, এটা ওদের একটা ইউএসএ’র পক্ষ থেকে যেই বডিটা গ্রান্ট দেয়, তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে ট্রেজারির সঙ্গে, সেটা আলোচনা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অতীতে প্রত্যাশিত সহায়তা না পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দিনে সেটা আমরা সেইভাবে কোনো কিছু পাইনি। আমরা তাদের বলেছি বাংলাদেশ-ইউএস রিলেশনশিপ যেখানে গেছে আজ, যেখানে বাংলাদেশ অনেকগুলো এয়ারক্রাফট কিনছে, তেল কিনছে, তারপর আপনার সয়াবিন কিনছে, কমোডিটিজ কিনছে, সেই ক্ষেত্রে আজ সময় এসেছে ইউএস-এর এই সমর্থনগুলো ইউএস-এর পক্ষ থেকে আসা উচিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা জোর করে তুলে ধরেছি যে এখন যদি না আসে তো কবে আসবে এ রকম একটা রিলেশনশিপ যেখানে বাংলাদেশ এতগুলো আমদানি করছে। আমরা ব্যালান্স অব পেমেন্টকে তারা যেটা কমাতে বলছে কমানো হচ্ছে, সেই ক্ষেত্রে এই সাপোর্টগুলো আসা উচিত। তারা একমত হয়েছে, দেখা যাক কী হয়।

কৃষি সহায়তা নিয়ে ইফাদের সঙ্গে আলোচনা

কৃষি খাতে সহায়তা নিয়ে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই খাতে ইফাদের হিস্টোরিক্যাল ডিসকাশন হয়েছে। ইফাদ হচ্ছে যারা আমাদের এগ্রিকালচার সাপোর্টের ইউএন বডি। তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে যে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের কী কী এগ্রিকালচার সাপোর্ট হতে পারে? এটার ওপরে একটা আলোচনা হয়েছে, ভালো আলোচনা হয়েছে।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement