রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ-২০২৬ উপলক্ষে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ৫০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ৯০টি চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন ও দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দৌলতদিয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা।
নৌ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর মুন্সিবাজার, কুশিহাটা, লঞ্চ টার্মিনালের বিপরীত এলাকাসহ নদী ও তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৯০টি চায়না দুয়ারি জাল, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিটার, এবং ৫০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা জালের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় উদ্ধার করা জাল ও চায়না দুয়ারি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট জানান, পদ্মা নদী থেকে ক্ষতিকর চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করার পর তা নিয়ম অনুযায়ী পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং জলজ প্রাণীর নিরাপদ বংশবৃদ্ধির স্বার্থে নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান বলেন, পদ্মা নদীতে মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ—এ বিষয়ে জেলেদের সচেতন করা হয়েছে।
এসআই/আরএন