মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সুপারিশে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ব্যাংকটির সাবেক দুই কর্মকর্তা, বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক ও দুই নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিঞা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—অগ্রণী ব্যাংকের দিঘীরপাড় শাখার এসপিও ও ব্যবস্থাপক রেজাউল হক (৪২)। তিনি এর আগে শ্রীনগর শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। অপরজন হলেন সীমপাড়া শাখায় কর্মরত অফিসার (ক্যাশ) মো. জিন্নাহ হোসেন (৩৪)। তিনিও এর আগে শ্রীনগর শাখায় অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীনগর শাখার বর্তমান ব্যবস্থাপক শরিফ উদ্দিন (৩৯) এবং বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ (৩০) ও আব্দুল হাই (৪২)। শরিফ উদ্দিন নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নাড়াদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে বুধবার সকাল থেকে শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় দুদকের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই শতাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক অংশ নেন। গ্রাহকেরা জমা টাকা ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পাইকপাড়া এলাকা থেকে অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান ওরফে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, লকারের চাবি ও চেকবই উদ্ধার করা হয়। অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় শরিফুজ্জামানকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএইচ/আরএন