দেশে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ২ হাজার ৬১৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুটে (এমএমসিএফডি) দাঁড়িয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতার তুলনায় বর্তমানে দেশের গ্যাসক্ষেত্র ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে ৬৭ দশমিক ৬ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত পেট্রোবাংলার ৪-৫ অক্টোবরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন এবং বিতরণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে মোট ১২৪টি উৎপাদনশীল কূপের বিপরীতে গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৭০ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) ৪৪টি কূপের সক্ষমতা ৮৫১ এমএমসিএফডি হলেও উৎপাদন হয়েছে ৪৭৬ দশমিক ২ এমএমসিএফডি। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) ১৯টি কূপের সক্ষমতা ১৪০ এমএমসিএফডি, উৎপাদন ১৩৮ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। এছাড়া বাপেক্সের ১৮টি কূপের সক্ষমতা ১৬৪ এমএমসিএফডি, উৎপাদন হয়েছে ১০৪ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোর (আইওসি) ৪৩টি কূপের গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬১৫ এমএমসিএফডি। এসব কূপ থেকে উৎপাদন হয়েছে ৯০৬ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকেই উৎপাদন হয়েছে ৭৩৮ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি।
এছাড়া আরপিজিসিএলের আর-এলএনজি থেকে ৯৯২ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, দেশীয় তিন কোম্পানি-বিজিএফসিএল, এসজিএফএল ও বাপেক্স-মিলে ৮১টি কূপের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ১৫৫ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ৭১৮ দশমিক ৯ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর সক্ষমতার প্রায় ৬২ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে।
এদিকে, গ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি এসব উৎস থেকে দৈনিক মোট ৫ হাজার ৭৯২ দশমিক ৩ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে বিজিএফসিএল ৩৭২ ব্যারেল, এসজিএফএল ৬১৪ দশমিক ৯ ব্যারেল, বাপেক্স ৪৩ দশমিক ৩ ব্যারেল এবং আইওসিগুলো ৪ হাজার ৭৬২ দশমিক ১ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদন করেছে।
টিআই