অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছাড়ার ইচ্ছা জানিয়ে বিসিবিকে ই-মেইল করলেও ওয়ানডে সিরিজে জ্যোতিকেই অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বোর্ড। একই সঙ্গে দলের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমস থেকে ফেরার পর সোমবার নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিসিবির নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু। বৈঠকে দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, অভ্যন্তরীণ সমস্যা এবং অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। সফরে তিনটি ওয়ানডে খেলবে তারা।
বৈঠক শেষে রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আজকে আমি ঘোষণা করেছি তুমি (জ্যোতি) অধিনায়ক থাকছো, অস্ট্রেলিয়ায় যাবে, তুমি অধিনায়ক হিসেবে।’ তিনি জানান, শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে তাদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ভালো খেলতে খেলতে একসময় সব দলের বিপক্ষে জয়ের সামর্থ্য তৈরি হবে বলেও ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে।
দলের ভেতরের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি নিয়েও বৈঠকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাবু বলেন, ক্রিকেট একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ খেলা। দলের ভেতরে শৃঙ্খলা এবং কোড অব কন্ডাক্ট ঠিকভাবে বজায় রাখতে পারলে দল আরও ভালো করবে।
এদিকে হেড কোচ সারোয়ার ইমরানের সাম্প্রতিক মন্তব্য ও আচরণ নিয়েও কথা বলেন নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান। তার মতে, গণমাধ্যমে কথা বলার আগে কিংবা কোনো বিষয়ে ই-মেইল দেওয়ার আগে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করা হলে বিষয়টি সহজেই সমাধান করা যেত। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
কোচের আচরণের কারণে নারী ক্রিকেটারদের কেউ কেউ মনোবল হারিয়েছিলেন বলেও জানান বাবু। তিনি বলেন, ‘উনি হয়তো একটু বেশি উগ্র মেজাজের। সবসময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঠিক করেননি। সেই কারণে মেয়েরা একটু মনোবল হারাতো।’ তবে তিনি উল্লেখ করেন, সব কোচের কাজের ধরন একরকম নয় এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যদের কাছ থেকে অসদাচরণ প্রত্যাশিত নয়।
এসএস