
সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক বিরতির শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে ইংল্যান্ড। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন ডেকলান রাইস, কোল পালমার, কোবি মাইনু, মার্কাস র্যাশফোর্ড ও টিনো লিভরামেন্তো। তাদের অনুপস্থিতিতে থমাস টুখেলের দলে তৈরি হয়েছে নতুন মুখদের জন্য জায়গা।
পাঁচ ফুটবলারের সবাইকে আগামী দুই সপ্তাহের উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচগুলো মিস করতে হবে। আর্সেনালের রাইস ইতোমধ্যে ক্লাবে ফিরে পুনর্বাসন চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে তাদের জায়গা পূরণে দলে ডাকা হয়েছে জেমস গার্নার ও মরগ্যান গিবস-হোয়াইটকে।
এই পরিস্থিতিতে নজরে থাকবেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড। বিশ্বকাপের দলে জায়গা না পাওয়ার পর স্পেনে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ভালো শুরুর সুবাদে আবার জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি। টুখেলের আস্থার প্রতিদান দিয়ে নিয়মিত একাদশে জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ এবার তার সামনে।
মরগ্যান গিবস-হোয়াইট ও পেয়েছেন বড় সুযোগ। পালমারের চোটই নটিংহাম ফরেস্টের এই মিডফিল্ডারের জন্য জাতীয় দলের দরজা খুলেছে। মৌসুমের শুরুতে ভালো ফর্মে থাকা এবং ইংল্যান্ডের হয়ে ছয় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা তাকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
এ ছাড়া ১৮ বছর বয়সী রিও এনগুমোহা, বোর্নমাউথের অ্যালেক্স স্কট এবং এভারটনের জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েট ও নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে রাইস ও মাইনুর অনুপস্থিতিতে স্কটের সামনে জাতীয় দলে অভিষেকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্র্যান্থওয়েটও দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইংল্যান্ডের জার্সিতে নিজের জায়গা শক্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক বিরতিতে ইংল্যান্ডের প্রথম বড় পরীক্ষা ২৬ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে। এরপর চেকিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ এবং ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলবে টুখেলের দল। ফলে চোটে তারকা হারানোর এই পরিস্থিতি নতুনদের জন্য নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর বড় মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।
এফএস