ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
অপ্রতিম হত্যার তদন্তে নতুন মোড়, হেফাজতে আরও একজন
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
X
Advertisement

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তুহিনের পর আনাস নামে আরও একজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাসকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস।

পুলিশ জানায়, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাসকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের হেফাজতে থাকা তুহিনের বাড়ি কুমিল্লার সানন্দা এলাকায়। তার বাবার নাম নুরুল আলম। সে স্থানীয় কোটবাড়ি বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আনাসের বিষয়ে বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শুক্রবার দুপুরের পর পাঞ্জাবি-পাজামা পরা অপ্রতিম একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে কিছু দেখছিল। কিছুক্ষণ পর সাদা শার্ট ও মাথায় ক্যাপ পরা তুহিন সেখানে আসে। এ সময় দুজনকে হাত মেলাতে ও কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। পরে তারা সেখান থেকে চলে যায়। পরবর্তী ফুটেজে শালবনের পাশ দিয়ে দুজনকে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

অপ্রতিম শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পুলিশ জানায়, অপ্রতিমের মুঠোফোনের অবস্থান শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত গন্ধমতী এলাকায় শনাক্ত হয়েছিল। এরপর ফোনটির আর কোনো অবস্থান পাওয়া যায়নি।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে মরদেহের সঙ্গে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তে তারা কিছু ‘ক্লু’ পেয়েছেন। তবে হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়।

পুলিশ সুপার বলেন, হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের মুঠোফোন, প্রযুক্তিগত তথ্য ও অবস্থানসহ বিভিন্ন তথ্য অপ্রতিমের লোকেশনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘যাকে ধরেছি, সে নির্দোষ হতে পারে, আবার দোষীও হতে পারে।’

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং ঘটনাটি শুধু আইফোনের জন্য, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় জড়িত- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement