
সংগৃহীত ছবি
ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা দুই পুলিশ সদস্যসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের কেরামতগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ভোলার লালমোহন থানা পুলিশের উপপরিদর্শক দেবরাজ চক্রবর্তী ও কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম। এছাড়া নিহতের দুই ছেলে মেয়েও আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ ইউনিয়নে আয়েশা বেগম (৫০) নামের এক নারী ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে মৃত্যুবরণ করেন। পরে আয়েশার ছেলে নিজেই লালমোহন থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বজনদের অভিযোগ না থাকায়, পুলিশ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের পর, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাচ্ছিল।
এসময় অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন আয়ু দেবরাজ চক্রবর্তী ও কনস্টেবল জাহিদুল ইসলামসহ নিহতের স্বজনরা। মরদেহটি নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি ভোলা সদর উপজেলার দিকে আসার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সটি সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন। এছাড়া আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
রাতে এ বিষয়ে লালমোহন থানা পুলিশের উপপরিদর্শক ও মামলার আয়ু দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, চালক অ্যাম্বুলেন্সের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার করেছেন। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফের মরদেহটি নিয়ে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে গিয়েছি। সেখানে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাওয়ায় আজ আর মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পূর্ণ হয়নি। আগামীকাল হবে(আজ)।
টিআইএস