দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক দাবি করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, ‘ভুয়া তথ্য ও একটি বিতর্কিত প্রোপাগান্ডা পেইজের’ সংবাদের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে দুদকের চলমান কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “খোঁজ নিয়ে আমি স্পষ্টভাবে জানতে পেরেছি কয়েকজন খুবই উচ্চ পর্যায়ের নেতা, তারা বিভিন্ন সময় বিশেষ করে সরকারে থাকা অবস্থায় আমার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন এবং সেই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই এই পুরো প্রক্রিয়া চলমান আছে।”
তবে সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ফেইসবুক পেজে প্রচারিত তার এই বিশেষ ভিডিওবার্তায় এসব নেতার কারও নাম তুলে ধরেননি আসিফ মাহমুদ, যিনি সাবেক অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রোববার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘অর্থপাচার, নিয়োগ-পদায়নে অর্থ লেনদেন, উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়াসহ’ নতুন কিছু অভিযোগ পাওয়ার কথা বলেছে দুদক। তার বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরুর তথ্য দিয়েছে কমিশন।
এর প্রেক্ষিতে অনলাইনে বিশেষ এই ভিডিও বার্তা দেন জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে উঠে আসা তরুণ এই রাজনৈতিক নেতা।
‘প্রতিশোধের’ প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আসলে এটার এই প্রক্রিয়ায় কোনো কিছু প্রমাণ করার কোনো ইনটেনশন আছে বলে আমার প্রাইমারিলি মনে হয় নাই। কেন মনে হয় নাই? কারণ মানে এটাকে একটা নিউজ কনটেন্ট হিসেবে মোর কনজিউম করানোর একটা চেষ্টা বা একটা প্রচেষ্টা আমরা শুরু থেকে দেখে আসছি।”
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন শিরোনামের স্ক্রিনশট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘এটাকে প্রমাণ করার যদি তাগিদ থাকতো, তাহলে যেই প্রথম অনুসন্ধানটা হয় সেটা বিএনপি আমলের একটা পদোন্নতিতে অনুসন্ধান। সেটা নিয়ে যখন আমরা সেটা খোলাসা করলাম, তখন আপনারা দেখলেন যে আপনাদের যথেষ্ট গ্রাউন্ড নাই, আপনারা আরেকটা অনুসন্ধান নিয়ে আসলেন এবং সেটা নিয়ে আসলেন আওয়ামী লীগের একটা প্রোপাগান্ডা পেইজ থেকে কপি পেস্ট করে।”
তার দাবি, এর আগে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছিল, সেটির কোনো ভিত্তি ছিল না।
টিআইএস