হাসপাতালে স্যালাইন মজুত থাকার পরও রোগীকে তা না দিয়ে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে বলার ঘটনায় নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এক সিনিয়র স্টাফ নার্সকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
অভিযুক্ত নার্সের নাম মাসুদা আক্তার। তিনি হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে তিনি মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডের ১১৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রোগী তারিনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় রোগী ও তাঁর স্বজনেরা মন্ত্রীর কাছে সরাসরি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে স্যালাইন মজুত থাকার পরও ওয়ার্ড ইনচার্জ মাসুদা আক্তার তা সরবরাহ না করে বাইরে ফার্মেসি থেকে কিনে আনতে বলেন। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে রোগীর বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার খরচের টাকা তিনি নিজ পকেট থেকে ফেরত দেন এবং ওই নার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার ওই নার্সকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি দায়িত্বে অবহেলা ও চাকরির বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।’
কেএইচ/আরএন