ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
ইতিহাসের সবচেয়ে ‘ভয়ংকর’ স্কোয়াড নিয়ে ফিরছে ব্রাজিল!
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে শক্তিশালী এক দল নিয়ে নতুন করে বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ফেরানোর মিশনে নামছে ব্রাজিল। অভিজ্ঞ তারকা ও তরুণ প্রতিভার সমন্বয়ে গড়া এই স্কোয়াডকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়ংকর ব্রাজিল দল হিসেবে বিবেচনা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

২০২৬ বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে  নতুন মিশনে নেমেছে  পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। লক্ষ্য একটাই— ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জার্সিতে ষষ্ঠ তারকা যোগ করা।

২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকেই  বিদায় নিতে হয়েছল  সেলেসাওদের। ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা। কিন্তু ফুটবলের ইতিহাস বলে—ব্যর্থতার পরই আসে সবচেয়ে বড় পুনর্জন্ম। আর এবার সেই পুনর্জন্মের নাম—২০৩০, ফুটবলের শতবর্ষী বিশ্বকাপ। আর সেই উত্থানের মূল শক্তি হতে পারেন একদল তরুণ প্রতিভা।

কার্লো আনচেলত্তির অধীনে শুরু হয়ে গেছে নতুন ব্রাজিল গড়ার কাজ। ফিফার তালিকায় উঠে এসেছে ২৫ বছরের কম বয়সী এমন ১০ প্রতিভা, যারা চোট বা দুর্ভাগ্যের কারণে এবার বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি। কিন্তু ২০৩০ সালে এরাই হতে পারেন ব্রাজিলের নতুন মেরুদণ্ড।
আক্রমণভাগে ব্রাজিলের হাতে থাকছে দারুণ সব অস্ত্র। রাইট উইংয়ে এস্তেভাও হতে পারেন ভবিষ্যতের বড় তারকা। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তাঁর গতি, ড্রিবলিং আর সৃজনশীলতা নজর কেড়েছে। চোটের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপ মিস করলেও ২০৩০ বিশ্বকাপে তিনি হতে পারেন ব্রাজিলের আক্রমণের অন্যতম প্রধান মুখ।

আর গোল করার দায়িত্বে থাকবেন একাধিক বিকল্প। জোয়াও পেদ্রো—যিনি শুধু গোলই করেন না, সতীর্থদের জন্য সুযোগও তৈরি করতে পারেন। কাইও জর্জ—যিনি স্ট্রাইকারের পাশাপাশি ‘ফলস নাইন’ হিসেবেও খেলতে পারেন। আর ভিটর রকি ও ইগর জেসুসের মতো শক্তিশালী ফরোয়ার্ডরা দিতে পারেন আক্রমণে নতুন মাত্রা।

মাঝমাঠেও আসছে বড় পরিবর্তন। পুরোনো দিনের ব্রাজিলিয়ান সাম্বা ফুটবলের সঙ্গে এবার যোগ হচ্ছে আধুনিক ইউরোপিয়ান ধারার ভারসাম্য। আন্দ্রে সান্তোস হতে পারেন সেই পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণ তৈরি করার ক্ষমতা তাঁকে আলাদা করে তুলেছে। সঙ্গে থাকছেন জোয়াও গোমেস, যিনি প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামানোর পাশাপাশি সামনে উঠে গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেন।

রক্ষণভাগেও চলছে নতুন প্রজন্মের প্রস্তুতি। ভিটর রেইস হতে পারেন ব্রাজিলের ভবিষ্যতের ডিফেন্স লিডার। শক্তি, গতি আর বল নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে তাকে ঘিরে বড় প্রত্যাশা। দুই প্রান্তে কাইকি ব্রুনো ও ওয়েসলির মতো তরুণ ফুলব্যাকরা ফিরিয়ে আনতে পারেন সেই পুরোনো ব্রাজিলিয়ান আক্রমণাত্মক ফুটবলের ঐতিহ্য; যে ঐতিহ্য একসময় রবের্তো কার্লোস, কাফু আর মার্সেলোদের হাত ধরে বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছিল।

সব মিলিয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের দলটা হতে পারে অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের দারুণ এক মিশ্রণ। ভিনিসিউস জুনিয়র, ব্রুনো গিমারায়েসদের মতো প্রতিষ্ঠিত তারকার সঙ্গে যোগ হবে নতুন প্রজন্মের ক্ষুধার্ত প্রতিভারা। কার্লো আনচেলত্তির হাতে এখন দায়িত্ব—এই প্রতিভাগুলোকে এক সুতোয় গাঁথা। আর সেটা যদি ঠিকঠাক করতে পারেন ডন কার্লো, তবে ২০৩০ বিশ্বকাপেই ব্রাজিলের জার্সিতে যোগ হতে পারে বহু আকাঙ্ক্ষিত সেই ষষ্ঠ তারকা।

এসএফ



Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝