ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
তিনজনকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

বাগেরহাটের কচুয়ায় বসতঘর থেকে এক তরুণ ও তার মা-নানির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আজ বুধবার পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।

নিহত তিনজন হলেন কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামের প্রয়াত আবদার আলী হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫), আহাদের মা মনিরা বেগম (৬০) এবং নানি রাশিদা বেগম (৯৩)। রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার বৃষ্টিপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের স্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুরে চান্দেরকোলা গ্রামে নিজ বসতঘরে ওই তিনজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। আজ দুপুরে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে নিহত ব্যক্তিদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বসতঘর থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে। ঘরের ভেতরে বিভিন্ন আসবাব, বিছানা, মশারি এবং মাটির মেঝেতেও রক্ত ছিল। ওই ঘটনায় মনিরা বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

কী কারণে এবং কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে-এ বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। বিভিন্ন কারণ সামনে রেখে রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে তদন্ত সংস্থাগুলো। মঙ্গলবার লাশ উদ্ধার করা হলেও অন্তত দুই দিন আগে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আঘাতের চিহ্নগুলো দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারণা করছে, হত্যাকাণ্ডে হাতুড়ি, শাবলের মতো উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে। গলায় ফাঁস দেওয়া নমুনাও দেখা গেছে।

এ সম্পর্কে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মাহামুদ হাসান বলেন, পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। সম্ভাব্য একাধিক কারণ ধরে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্তকাজ শুরু হয়েছে।

মাহামুদ হাসান জানান, দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নানি রাশিদা বেগমের মরদেহ তার বাড়িতে সদর উপজেলার বৃষ্টিপুরে বিকেলে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মা ও ছেলের মরদেহ তাদের বাড়ির সামনের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

নিহত আহাদ হাওলাদার তিন ভাই-বোনের মধ্যে ছোট। তিনি পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন। মেজ ভাই ফয়সাল হাওলাদার ঢাকায় চাকরি করতেন এবং বড় বোন রামিছা খাতুন গৃহবধূ।

ফয়সাল বলেন, ‘নানি (রাশিদা বেগম) কয়েক দিন আগে আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। গত রোববার সর্বশেষ মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। তখন ৭টা-৮টা বাজে রাত। ভাইয়ের সঙ্গে ওই দিন কথা হয়। এরপর আর বাড়িতে কারও সঙ্গে কথা হয়নি। সোমবার ফোন দিয়ে আর কাউকে পাইনি। পাশের বাসার এক ভাবি বলেন, “বাসায় ফ্যান চলে, তোমাদের মাকে ডাকছি কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ পাইনি। ফোন দিয়ে ফোন বন্ধ পাইছি।” ভেবেছি সবাই নানাবাড়ি গেছে। গতকাল আমার এক চাচাতো ভাই ফোন দিয়ে বলে নানি মারা গেছে।’  

ফয়সাল আরও বলেন, ‘আমাদের কোনো শত্রু ছিল না। মায়ের স্বপ্ন ছিল একটি ঘর করবে। আমি, আমার ছোট ভাই টাকাপয়সা যা ইনকাম করছি, সব মার কাছে দিছি। বাড়িও অর্ধেক করা হয়ে গেছে। এখন শুধু ছাদ করতে বাকি। সেই ছাদের টাকাও তার কাছে ছিল।’

টিআইএস


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝