ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
বিপৎসীমার ওপরে চেল্লাখালী নদীর পানি, শেরপুরে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
X

গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি এবং উজানে ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে শেরপুরের পাহাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতের শেষ ভাগ থেকে বৃষ্টিপাত আরও বেড়ে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে উজান থেকে পানি নেমে আসায় জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে একটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। অন্যান্য নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার তথ্য অনুযায়ী, নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদীর পানিও বাড়তে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, একই উপজেলার ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও স্থলবন্দর পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বিকেলে তা বেড়ে বিপৎসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই নদীর নালিতাবাড়ী পয়েন্টে সকালে পানি বিপৎসীমার ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যার দিকে তা বেড়ে বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার নিচে নেমে এসেছে।

এছাড়া চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে তীর ভাঙন ও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, “উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত ইতোমধ্যে কিছুটা কমেছে। ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে গেলে এখানকার পানিও দ্রুত নেমে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ৭২ ঘণ্টার একটি সতর্কতা ছিল, যা আজ শেষ হতে যাচ্ছে। নতুন করে বন্যার কোনো সতর্কতা নেই। শেরপুরে পানি দ্রুত কমার প্রবণতা রয়েছে। সাধারণত এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই পানি কমতে শুরু করে।”

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর পয়েন্টে ৮ দশমিক ৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪২ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামারবাড়ীর উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ফসলের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে।

তিনি আরও বলেন, “আজ বুধবার ছুটির দিন হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে জেলায় প্রায় ১৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।”

এমএস/আরএন


Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝