ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
দেশের পোলট্রি মাংসে মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল: গবেষণা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের পোলট্রি মুরগির মাংসে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের ‘অবশিষ্টাংশ’ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে নতুন এক গবেষণায়।

লন্ডনের রয়েল ভেটেরিনারি কলেজের (আরভিসি) এ গবেষণায় বলা হয়েছে, কিছু নমুনা ছিল, যেখানে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি ছিল আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের চেয়ে বেশি।

এই গবেষণায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করেছে বলে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘পোলট্রি নিউজের’ খবরে বলা হয়েছে।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাংস উৎপাদনকারী প্রাণীতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের ব্যবহার এ সমস্যার মূল কারণ।

প্রাণীর শরীরে প্রয়োগের পর নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা না করলে জবাই করার পরও মাংসে এসব ওষুধের অংশ থেকে যেতে পারে। এই অবশিষ্ট অংশ মানুষের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলা হয়। ফলে এসব অঞ্চলে নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পাওয়ার ঘটনা বিরল।

কিন্তু উন্নয়নশীল অঞ্চলে এর প্রকোপ কতটা, সেটা নিয়ে খুব একটা তথ্য নেই। এসব দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি নিয়ে সচেতনতাও কম।

এই বাস্তবতা সামনে রেখে গবেষণাটি চালায় রয়েল ভেটেরিনারি কলেজ, যার নেতৃত্বে ছিলেন ভেটেরিনারি ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজি ও অ্যানেস্থেসিয়ার অধ্যাপক লুডোভিক পেলিগ্যান্ড।

এতে বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও যুক্ত ছিলেন।

গবেষণার অংশ হিসেবে ২০২১-২২ সালে এসব দেশের ৫৫৮টি মুরগির বুকের মাংসের নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়।

নমুনা মাংস পাঠানো হয় সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে, যেখানে ৬৯ ধরনের ভেটেরিনারি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ক্ষেত্রে মানা হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ড।

মাংসের নমুনার একটা অংশ নেওয়া হয় বিক্রয়কেন্দ্র থেকে, বাকিটা নেওয়া হয় ফার্ম থেকে। ফার্ম থেকে নেওয়া মুরগিগুলো বিক্রির উপযোগী ছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি নমুনায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি ছিল নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি।

কিছু বিক্রয়কেন্দ্রের ৩ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ নমুনায় নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পাওয়া গেছে।

২০২১ থেকে ২০২২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এই হার ছিল গড়ে শূন্য দশমিক ০৫ থেকে শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।

গবেষকরা বলছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে হার পাওয়া গেছে, তাতে জবাইয়ের ঠিক আগ মুহূর্তেও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে।

অধ্যাপক পেলিগ্যান্ড বলেন, “আশা করি, এ গবেষণার মাধ্যমে ভেটেরিনারিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অবশিষ্টাংশ নিয়ে সচেতনতা বাড়বে এবং স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তার উন্নতি হবে।”

ওয়ান হেলথ পোলট্রি হাবের মাধ্যমে এ গবেষণায় অর্থায়ন করেছে ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস রিসার্চ ফান্ড।

টিআইএস



Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝