কবর দেওয়ার দুই বছর পর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে আদালতের নির্দেশে এক ব্যক্তির মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
হত্যা মামলার তদন্তের স্বার্থে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মরদেহটি উত্তোলন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আদালতের নির্দেশে পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদ আল সোহানের তত্ত্বাবধানে মরদেহ উত্তোলনের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় পিবিআই ঢাকা জেলার সদস্য, নিহতের স্বজন এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইমন হোসেন ২০০৬ সালে রানু আক্তারকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহ চলছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে বাড়িতে খাবার খাওয়ার পর ইমন অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে কলেরা হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে তার মরদেহ পূর্বাচল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরবর্তীতে ইমনের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তার বাবা মজিবুর রহমান ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে প্রদান করেন।
তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদ আল সোহান বলেন, ইমনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনদের সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসআর