‘গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি করার কারণে’ হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেননি বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, জুলাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘গণহত্যার বিচার’ ও শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এনসিপি। তবে দলটির নেতাদের বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিচারের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি। বরং তারা বিএনপির পতন বা বিএনপির বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।
এর পেছনের কারণ হিসেবে তিনি সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের একটি কথিত অডিও ফাঁসের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। রাশেদ খাঁনের দাবি, ওই অডিওতে হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ এবং নাহিদ ইসলামসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে বক্তব্য রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগের ‘এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করেছেন—এমন অভিযোগই ওই বক্তব্যে উঠে এসেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেও ছাত্র উপদেষ্টা হন। কিন্তু হাসনাত ও সারজিস উপদেষ্টা হতে পারেননি। তার ভাষ্য, এ বিষয়ে তিনি ৭ আগস্ট রাতে একটি ব্যাখ্যা পেয়েছিলেন।
রাশেদ খাঁনের দাবি, একজন ছাত্র উপদেষ্টা তাকে বলেছিলেন, ‘হাসনাত-সারজিস জাতির সঙ্গে বেইমানি করেছে।’ এ কারণেই তারা ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি।
তবে ফেসবুক পোস্টে করা এসব অভিযোগের বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম বা সংশ্লিষ্ট অন্যদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
-টিএস