ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে সামার সেমিস্টার ২০২৬-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. হাসান কাউসার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. বোরহান উদ্দিন খান নবীন শিক্ষার্থীদের ন্যায়বোধ, সততা, মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মো. হাসান কাউসার গবেষণামুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ-আল-মাসুম। তিনি নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের পরামর্শ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রব নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান এবং শিক্ষা, গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মো. শামসুল হুদা, রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান, আইন অনুষদের ডিন এ. বি. এম. ইমদাদুল হক খান, লাইফ সায়েন্স অনুষদের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের কনভেনর ও আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অভিভাবক ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী সহায়তা সেবা, বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাসের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
-টিএস/বিজ্ঞপ্তি