প্রশাসনে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ১৭২ জন উপসচিব। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন সংক্রান্ত কোনো আদেশ এখনো জারি করা হয়নি।
বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রশাসনে এটি প্রথম বড় ধরনের পদোন্নতি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর অথবা অনলাইনে ই-মেইলের মাধ্যমে (mailto:[email protected]) পাঠাতে পারবেন।
এতে আরও বলা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লেখ করা কর্মস্থল পরিবর্তিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বর্তমান কর্মস্থলের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র জমা দিতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিষয়ে বিরূপ বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন বা বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে।
এ পদোন্নতির পর প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১ জনে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূল বিবেচনায় ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তারা। পাশাপাশি আগে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ অনুযায়ী, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিবদের বিবেচনায় নেওয়ার বিধান রয়েছে।
বিধিমালা অনুসারে, উপসচিব পদে কমপক্ষে পাঁচ বছরের চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা অথবা উপসচিব পদে কমপক্ষে তিন বছরের চাকরিসহ মোট ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে একজন কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।