চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা জেলার তিনটি নতুন উপজেলা গঠন করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন উপজেলাগুলো হলো—চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর, ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁও এবং কুমিল্লার বাঙ্গরা।
বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন—বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল—নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা গঠন করা হয়েছে। এ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অফিস সেটআপও অনুমোদন করা হয়েছে।
নতুন এ উপজেলায় ২৪টি দপ্তরের জন্য মোট ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ থাকবে। এর মধ্যে কর্মকর্তার পদ ৪০টি। উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে ভূজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূজপুর মৌজায়।
অন্য প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার আটটি ইউনিয়ন—মশাখালী, পাঁচবাগ, উস্থি, লংগাইর, পাইথল, দত্তের বাজার, নিগুয়ারী ও টাংগাব—নিয়ে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা গঠন করা হয়েছে। এ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অফিস সেটআপও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ উপজেলায়ও ২৪টি দপ্তরের জন্য ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ থাকবে, যার মধ্যে কর্মকর্তার পদ ৪০টি। দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে উস্থি ইউনিয়নের নয়াবাড়ী মৌজায়।
এ ছাড়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন—শ্রীকাইল, আকুবপুর, আন্দিকোট, পূর্বধৈইর (পূর্ব), পূর্বধৈইর (পশ্চিম), বাঙ্গরা (পূর্ব), বাঙ্গরা (পশ্চিম), চাপিতলা, রামচন্দ্রপুর (উত্তর) ও টনকী—নিয়ে বাঙ্গরা উপজেলা গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাঙ্গরা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অফিস সেটআপ অনুমোদন করা হয়েছে। ২৪টি দপ্তরের জন্য মোট ২৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ থাকবে, যার মধ্যে কর্মকর্তার পদ ৪০টি। বাঙ্গরা উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে বাঙ্গরা (পূর্ব) ইউনিয়নের খামারগ্রাম মৌজায়।