ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে দুই শিশু আহত, আশ্রয়কেন্দ্রে সরানো হলো ৮০ বাসিন্দাকে
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৫ পিএম
X Advertisement

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় টানা বর্ষণের মধ্যে পাহাড়ধসে দুই শিশু আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ৮০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কর্ণফুলী সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে আহত দুই শিশুর বসতঘরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আহত শিশুরা হলো—ফরহাদ ইসলাম ছোটন (৫), বেলাল হোসেনের ছেলে এবং আরিয়ান ইসলাম জোহান (১০), মনির হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে বসতঘরের ওপর পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দুই শিশু মাটিচাপা পড়ে যায়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহত দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন মিলন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কর্ণফুলী সরকারি কলেজের দুটি কক্ষে ৫০ জন এবং সংলগ্ন স্টেডিয়ামের দুটি কক্ষে আরও ৩০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রিতদের জন্য খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহত দুই শিশুকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

আহত শিশুদের পরিবারের সদস্যরা জানান, পাহাড়ধসে তাদের বসতঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঘর মেরামত ও পুনর্বাসনের জন্য তারা সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি এখনও রয়েছে। এ কারণে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কেএইচ/এসআর
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707297 Advertisement: 41053012; 01550707291, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝