ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম আপডেট: ২৭.০৬.২০২৬ ৬:২৬ পিএম
X
Advertisement

খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার, কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও সারের বাজারের অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (২৭ জুন) ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এ সহায়তা অনুমোদন করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী। এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারগুলোর জীবিকা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় সহায়তা করা হবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের আমন ও ২০২৬-২৭ সালের বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে অর্থায়ন করা হবে।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোট সারের ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ লাখ মেট্রিক টন সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। এতে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ক্ষুদ্র কৃষকদের ধান উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সুলেমানে কুলিবালি বলেন, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশই আমন ও বোরো মৌসুমে হয়। আবার দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কৃষি খাতের সঙ্গে যুক্ত। ফলে সারের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাই নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ দ্রুত ছাড় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহসহ জরুরি সেবা চালু রাখতে জ্বালানি ও জ্বালানি তেল আমদানিতেও অর্থায়ন করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত অর্থ ছাড়ের সুযোগ দেওয়া হবে। এর ফলে সংকটের সময় মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

এসআর

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement