মানুষের মুখে মুখে মানুষ ঝরে পড়ে
বৃক্ষের পাতায় পাতায় ফুলে ফুলে
ফুলের সুগন্ধি সৌন্দর্যে ভরা- আজাজিল
ইসরাফিল মিকাইল জিব্রাইলের
মন ও মেধা খুঁজি একসাথে;
কেউ নয় কারো চেয়ে কম মেধাবী
সমতলে সকলের অন্তর হাতড়াই
কিছু না পাই–
ছেঁড়া শার্টের বোতামও মিলে না,
উপরে ভুল
নিচেরটাও মেনে চলে লাইন বরাবর
মেলে না জীবনের মেলা
যতই করি আয়োজন;
ফুটো বেলুন কি আকাশে উড়ে?
কার ওজন কম, কার ভর বেশি,
মগজ নাকি মন–জানি না আয়তনে কে কতটুকু কারনে-অকারনে,
এটুকু নিশ্চিত জানি– মেধার ঘাটতি পূরণ করা যায়
ভালোবাসা দিয়ে;
মনের খরা মিটাতে পারে না কোনো জল
এমনকি ফোরাত নদী, সেও থেমে যায়
অপেক্ষা করে –ইব্রাহিম, ইসমাইল, হোসেন
আসবে কবে
বিবি হাজেরা, মরুর বুকে বহিবে ঝর্ণাধারা ;
জমজম কুয়ার মুখ খোলে যাবে
শিশু ইসমাইলের পায়ের গোড়ালির আঘাতে আঘাতে
ভূমি ফেঁড়ে বের হবে পানি আর পানির স্রোত,
ভিজবো সবাই ধুয়ে নিবো জীবন
একটাই তো! আর দিবে না সুযোগ পরমেশ্বর ;
আজ এই খরার মৌসুমে
দোজখের আগুন নিভানোর কোনো ফেরেশতা নেই,
দাউ দাউ করে আগুনে জ্বলে
বৃত্তের পরিধি বাড়ে– আগুন আর আগুনে
স্ফীতোদর মহাবিশ্বের অন্তরে ভালোবাসা নাই!
গাণিতিক নিয়মে ভরসা রাখে সবাই,
শুধু ভালোবাসাতেই না!
নদীর আঁকাবাঁকা গতি-পথ শিল্পমূল্যের
কোনো তুলনা হয় না,
ভালোবাসার শাসনের বিপরীতে
মানুষ বৃক্ষ লতাপাতা ঘাসফুল নদীর
কূল কূল ধ্বনি নাই;
মন আর মস্তিষ্কের মিলন ছাড়া
ব্রাহ্মণ্য ব্যাকরণের শিকলের ভাঙিবার
ক্ষমতা আর কারো নাই।
এমএ