Tuesday | 2 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Tuesday | 2 June 2026 | Epaper
BREAKING: বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা কাল      মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ      দেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু      কমলো এলপি গ্যাসের দাম      আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার না করতে নির্দেশনা      পশ্চিমবঙ্গের সরকারে নেই মুসলিম প্রতিনিধি      দাম কমেছে স্বর্ণের       

কোরবানিকে ঘিরে ব্যস্ত কামারপাড়া, ফিরছে স্বস্তি

প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:৩৭ পিএম   (ভিজিট : ১০৩)

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কক্সবাজারের পেকুয়ায় জমে উঠেছে কামারদের দোকান। বছরের অধিকাংশ সময় মন্দায় কাটলেও কোরবানির মৌসুম ঘিরে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে তাদের জীবনে। দা, ছুরি, চাকু, বটি ও চাপাতি কিনতে এবং পুরোনো সরঞ্জাম ধার করাতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।

পেকুয়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, কামারদের দোকানে চলছে টংটাং শব্দে লোহা পেটানোর কাজ। শুধু পেকুয়া বাজার নয়, উপজেলার বারবাকিয়া সওদাগরহাট, টইটং বাজার, হাজি বাজার, আরবশাহ বাজার ও সবুজ বাজারের কামারপাড়াগুলোতেও বেড়েছে ক্রেতাদের আনাগোনা।

পেকুয়া বাজারের কামারশিল্পী নিখিল কর্মকার বলেন, “সারা বছর তেমন কাজ থাকে না। কোরবানির ঈদ এলেই আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এবারও ভালো বিক্রি হচ্ছে। মানুষ নতুন দা-ছুরি কিনছে, আবার অনেকেই পুরোনো জিনিস ধার করাচ্ছেন। তবে কয়লার দাম বেশি হওয়ায় লাভ কিছুটা কম হচ্ছে।”

আরেক কামারশিল্পী কিরন কর্মকার বলেন, “লোহার দাম বেড়েছে, তারপরও ক্রেতাদের চাহিদা কমেনি। ঈদকে কেন্দ্র করে অনেক অর্ডার পাচ্ছি। এখন দিন-রাত কাজ করতে হচ্ছে।”

তবে ব্যবসা আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কম বলে জানান রনজিৎ কর্মকার। তিনি বলেন, “গত বছর এ সময়ে এত ব্যস্ত ছিলাম যে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করতে পারতাম না। এবার ক্রেতা তুলনামূলক কম। তবে ঈদের আগের দিনগুলোতে বেচাকেনা বাড়তে পারে।”

তিনি জানান, দা শান দিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বটি ও ছোরা শান দিতে ৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কয়লা ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে।

পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন বলেন, “কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে। কামারদের দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় দেখা যাচ্ছে। এতে তাদের ব্যবসায় নতুন প্রাণ ফিরেছে।”

দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মো. ফারুক বলেন, “একসময় কামারশিল্প হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। কিন্তু কোরবানির মৌসুম এলেই এ পেশার মানুষগুলো কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পান। তাদের টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।”

পেকুয়া বাজারে দা ও চাকু কিনতে আসা ক্রেতা বশির আহমদ বলেন, “কোরবানির কাজের জন্য ভালো মানের দা ও চাকু প্রয়োজন। তাই আগেভাগেই কিনতে এসেছি। স্থানীয় কামারদের তৈরি জিনিস টেকসই হওয়ায় এগুলোর চাহিদা বেশি।”

কামারদের আশা, কোরবানির মৌসুমকে ঘিরে তৈরি হওয়া এ কর্মচাঞ্চল্য তাদের আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে কিছুটা হলেও সহায়তা করবে।

এনইউ/এসআর




LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close