Monday | 1 June 2026 | Reg No- 06
Epaper | English
   
English | Monday | 1 June 2026 | Epaper
BREAKING: প্রবীণ আ.লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন      পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ      ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গ্রাহক-পুলিশ সংঘর্ষ      ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের      মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী      বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এক ধরনের ধোঁকাবাজি: জামায়াত আমির      মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৫৫      

কবিতা: স্মৃতির পরিভ্রমণ

প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:২২ পিএম   (ভিজিট : ২৪৪)

প্রতীকী ছবি

পচা শুকনো মাটি পছন্দ ঈশ্বরের–মাটি 

ছেনে ছেনে গড়ি সুখের ‘পর সুখ,

সুখস্মৃতি পড়তে পড়তে পাতা উল্টাই  

দুঃখ এসে জমতে জমতে কঠিন শিলা 

শীতল স্মৃতি; 


স্মৃতির বিপরীতে সত্য নাই 

এমন কি ঈশ্বর তাঁর নিজেরও না,

স্বর্গের কাহিনী বলেন তিনি– 

নরকের কথাও বয়ে চলে সমান্তরাল;


‘হও এবং হয়ে যাও’ বলে প্রভু ফুঁকে দিলেন 

স্মৃতি – কপির পর কপি হাওয়ায় ভাসে 

অসীম পথে বয়ে চলে প্রথম ভালোবাসা– 

মুখোমুখি বসিবার সামান্যক্ষণ;


প্রথমে ভাঙিলেন নিয়ম প্রভু নিরঞ্জন– 

আমারে না জিজ্ঞাসিয়া আমারেই করিলেন সৃজন, 

বাতাসের বেলুন চাইনি আমি চাইনি কো সাদা ঘোড়া, 

মেঘের পর মেঘ জোড়া দিয়ে প্রভু

আকাশে ভাসালেন স্মৃতির ভেলা ;


স্বর্গে জন্ম আদমের জানি–নরকের চিত্রকল্প

আঁকলেন কেমনে যেখানে নেই কোনো স্মৃতি ? 

সত্যের বাইরে কল্পনা নাই–তবে কি 

দ্বৈততার আছে অস্তিত্ব? 

 

একাকী ঈশ্বরের আছে কি কোনো ঠাঁই?

যখন প্রশ্ন জাগে মনে– কারে সাথে নিয়ে চলি 

কথা বলি কার সনে,

নদী মরে গেলে হারায় কি সব কথা-স্মৃতি?


বালুচরে নেমে আসেন ঈশ্বর জানি–জোছনার 

কালিক নিয়মে বাঁকা চাঁদ 

পরিধি বাড়াতে বাড়াতে বৃত্ত হয়,

তবুও ওর অন্তরে গাঁথা থাকে 

কেন্দ্রের সকল স্মৃতি;  


সত্য ছাড়া স্বপ্নের কোনো শিকড় নাই 

নদী মরে যায় স্মৃতি না ভুলিবার পাই

হৃদপিণ্ড জুড়ে ও আছে যেন ঘড়ির কাঁটা 

টিক টিক টিক– 

ওর থেমে যাওয়ার কোনো বিন্দু নাই;


কেউ অসত্য নয়– এমনকি শিয়ালমতি গাছ,

শিমুলের চারপাশে বেড়ে ওঠে 

সংকটে আগুনে পোড়ে–ও আলো জ্বালে 

জোনাকিরা এই জ্বলে আঁধারে নিভে যায়  

জীবেনের বাতি আবারও জ্বালে স্মৃতি-আলো ;


আলো কি আগুন নাকি আগুনের শিখা,

কে যে কারে শেখায় কার জীবনস্মৃতি 

কোন ঘাটে কোন তরীতে বাঁধা আছে

কে কারে ভালোবেসে সঁপে দেই দেহমনপ্রাণ

কার বিরহে জেগে রই– স্বপন দেখি না বহুদিন!


স্বপন কী ঝরে পড়ে কোলবালিশে?

কতো দিন রোদে দেই নি বালিশের ওয়াড়

ঘুমের ঘোরে কেটে গেল কত না দিন বছর!

জেগে দেখবো স্বজন সুজন স্বপ্নীল আবেশে 

ডালা ভরে কুড়িয়ে রাখে ঝরাস্মৃতি স্বপ্নফুল;


পিরামিডের বর্গগুলো বাহুডোরে বেঁধে 

বহুদূরপথ

হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত পথিক খোঁজে পান্থশালা, 

একটু থেমে একটু জিরিয়ে আবারো শুরু 

প্রথম পথচলা,

যেন জীবনের পুরো বৃত্ত ঘুরে ঘুরে দেখে সুন্দর– সাজানো স্মৃতিরথ;


রথের চাকায় পিষ্ট হয় কতো যে লক্ষজন!

স্মৃতিই জানে শুধু অন্য কারো জানা নেই–

জননী জানে সৃজনের গুপ্ত কাহিনী 

এক অস্তিত্বে ছাপ রাখে বহুজন;


একজন বাঁচে, মরে কোটি লক্ষ জন

একটি ফুলের ভালোবাসা স্মৃতি  

সারা বাগানজুড়ে–আলো নেই, নিঝুম রাত, 

তবুও এই গতি এই আঁধারে পথচলা ;


পৃথিবীর ঘূর্ণনকাল মহাকালে ভাসমান 

একটুও বাড়ায়নি গতি– আমরা ক্রমশ 

ছোট হয়ে যাই দিবস-রজনী

এই শুরু এই শেষ 

থিতু হওয়ার সময় নাই 

স্মৃতিঘর বানানো হয় না তাই;


বালিরা বসে থাকে গায়ে গা মেখে

তবু রয়ে যায় সুক্ষ্ম ফাঁক–স্রোতে ভাসে 

ডুবে ডুবে ভেসে চলে

একসাথে এক নয়, কোটি লক্ষ জীবন যেন 

মহাকাশের অগণিত নক্ষত্র চলতে চলতে আঁকে 

মনের অনাবিল সৌন্দর্য কাব্যস্মৃতি ;


আবেগের ঘরে জন্ম যার 

আগুনের তাপে বাদামি রং ধরে 

ধরায় নেমে আবারো রোদে পোড়ে

খড়কুটো–শুকনো খরখরে হাওয়ায় 

উড়ে বেড়ায় স্মৃতি শীতের সকালে 

নরম আদর ভালোবাসা খুঁজে ;


ভালোবাসার জন্ম কোথায়?

আঁধারের স্মৃতি গাথা নেই মনে

ছিলো কি অস্তিত্ব তখনো?

অন্যের চোখে জানি নিজের চিত্র 

এ কেমন সত্য!

 

এককের কোনো নিজস্ব সত্তা নেই– 

মাতৃগর্ভে আমার জীবন 

মনে নাই, কেন নাই,

কে মোছে দেয় আঁধারে সাঁতার?

কে জমা রাখে কোথায় আমার স্মৃতি-ইতিহাস?


কান্নার শব্দ দিয়ে শুরু হয় জীবন

সূর্যের সাক্ষাতে হাসি খিলখিল 

লিখে রাখি রোদের কোলে 

ভালোবাসার সব অক্ষরস্মৃতি— সাজিয়ে নিয়ে 

পুতুল খেলা নদীর তীরে বসতি গড়ি

ভাঙা-গড়ার জীবন বানাই  

সমষ্টির মাঝে বিলীন হই ;


তাতে কি আছে সবাই? 

সকলের যোগফল কি সমগ্র এক হয়?

ব্যক্তির প্রবাহ স্রোত ঝিরঝির বহে একেলা

একসাথে ধায় অর্ণব পানে

ছুটে চলে নদী– স্মৃতির ওপারে কেহ নাই;


নদীর বয়ে যাওয়া কূল কূল ধ্বনি 

দুই পাড়ে ঢেউয়ের আঘাতে জাগে 

চরের শিহরণ! 

আনকোরা ভূমি ভেসে আসে স্মৃতি নিয়ে 

জেগে ওঠে ওখানে;


গভীর ঘূর্ণনে যেন পর্বতের গিরিখাত– এই জাগে জীবন এই আবার তলিয়ে যায় 

জলের গহীনে ডুব দিয়ে তোলে আনে

আবারও ভেসে ওঠে জীবনস্মৃতি 

জল মাটি কাদা মেখে;


কাদামাখা জীবন নিয়ে ঈশ্বরের দরবারে হাজির 

রাজা বাদশাহ আমীর ফকির 

সকলেই যায়–আমিও তাই শামিল 

সবার সাথে গাঁথি স্মৃতি 

শেওলার ভেলায় চড়ে জীবনের ওপারে যাই;


ওপারে মহাজীবন খেলা করে– নিত্য সাজে 

কপালে লাল টিপ পরে 

সিথির সিঁদুর সরলরেখা বরাবর 

নিয়ে যায় বহুদূর 

বেলাশেষে অধিবৃত্ত আঁকে– ভালোবাসাস্মৃতি;


বন্ধুকে বলি একান্ত গোপনে,

ভালোবাসা কী তবে শুধুই স্মৃতি ?

উত্তর পাওয়া কি এতোটাই সোজা–

সংগ্রামে নেমে তারপরে বলো বন্ধু 

কতটুকু জল দিলে পাবে কতটুকু আশা ! 


স্মৃতির ওপারে কেউ নেই– কেবল ঈশ্বর! 

গড়েন ভাঙেন ইচ্ছাতরী 

যখন যেমন সাজান 

মনের রঙের বিপরীতে সত্য নেই

এমনকি রঙধনু– সেও ভাসে না আকাশে ;


কোথায় কে আছেন আমার বন্ধু সুজন

নিয়ে যাবেন কি কেউ জোছনার হাত ধরে

কাশ বনের উল্লাসে? –সেখানে

লেখা আছে সুবা বেলার স্মৃতি  

বয়ে চলে অনন্ত প্রবাহ জীবন;

 

কোটি লক্ষ হাজার বছর পিছে চলে যাই

বৃক্ষ জল মাটি বায়ু ছিল যেমন 

এখনো দেখিবার পাই–স্মৃতি সাথে নিয়ে 

পারি দেয় সমুদ্দুর মুক্তি পাবে বলে–

একের পর এক কেন্দ্রে হেঁটে চলে  

পরিধির কান্না রয়ে যায় বিন্দুর গভীরে;


পরিধির জীবনে মুক্তি আছে কোন ঠাঁই?

ভিটা বাড়ি বসত উল্টেপাল্টে দেখি

ও তো নাই! 

বৃষ্টিতে ভিজে দেখি 

রোদে পোড়ে দেখি

বৈশাখী ঝড়ে দেখি

নাই নাই সে সুজন বন্ধুস্মৃতি কোথাও নাই! 


সামষ্টিক স্মৃতি ছাড়া খড়কুটোরও নেই 

বাতাসে ভাসিবার অধিকার,

কারে আর কী বলি বুঝাই কেমনে 

ভরা পূর্ণিমা বালুচরে জোছনা ঢালে

গড়িয়ে যায় ঢেউ সমুদ্দুর ওপারে ;


মনের মাঝারে ডুবে গিয়ে দেখি–স্মৃতি 

মরুভূমির বুক চিরে বহে নীলনদের স্রোতধারা

মানুষের দলবেঁধে চলা–মুক্তির মিছিল 

‘এক্সোডাস’ বলি তারে আদিগ্রন্থে গন্ধ শুঁকি

স্মৃতির পরতে পরতে সাজানো আছে দূর্যোগ সুখ-দুঃখের মেলা;


পাহাড় চূড়ায় জীবন্ত সামুদ্রিক শামুকের নির্বিঘ্নে 

হেঁটে চলা দেখলাম যেদিন, বুঝলাম–এ জীবন সকলের, সময়ের ঢেউয়ের স্তরে সবাই জমা থাকে 

স্মৃতির ভান্ডারে কেউ নয় ফেলনা  

প্রকৃতি মুছে ফেলে না কাউকে;


মানুষ মুছে ফেলে মানুষের স্মৃতি 

রাজা ভুলে যায় রাণিও তাই

সমস্বরে গায় রাজপ্রাসাদের বিপরীতে 

কোনো স্মৃতি নাই; সময় বলে – কোনো কিছুই 

হারাতে দেই না আমি ;


ইংরেজ রাণি সেই কবেকার কথা 

চালু করলেন শাসন–মুদ্রায় এঁকে দিলেন 

নিজের সীলমোহর 

বিলের তলা খুঁড়ে পেলাম পূর্বপুরুষের আরতির

স্মৃতিচিহ্নভরা–তামার মুদ্রা;


রোদ্দুর থেকে কি আলো চুরি করা যায়?

লুকিয়ে রাখা কি যায় সূর্যের তাপ-উষ্ণতা?

মেঘের সাথে সখ্য ছাড়া জীবন কি বাঁচে!

জলের স্মৃতি নিয়ে মেঘ ভাসে আকাশে 

পর্বতের ধাক্কা ভালোবেসে ঝরে 

অঝোর বরিষণ-কান্না;


কামবাসনা কোন সে স্মৃতি ধারণ করে 

কোন সে জন

মেঘ নাকি রোদ কারে রাখে কোন পিঠে 

বুকের ভিতর বসত করে সাপ 

কুণ্ডলী পাকিয়ে ছিলো স্বর্গের ছায়াতলে ;


সেও তো বেহেশতের সাথী 

সব স্মৃতি নিয়ে নেমে আসে পৃথিবীতে

ফুলবাগানে মাখে বিষের ছড়াছড়ি

কে নেবে মুখে তোলে গরল- নীল মানচিত্র ছবি

আঁকবে মনের খেয়ালে কোন কবি?


কল্পনার কোনো সীমা পরিসীমা নেই–

মনে কী আছে মেপে দেখছ কি তা?

হাঁটুজলেও মানুষ ডুবে মরে– কোন স্মৃতি লেখা ছিল গোপন কোডে—সেই বায়ুর গতিপথ 

জানিবার সাধ্যি কাহারো নাই; 


গোপন প্রেমের সংবাদবাহক 

অগণিত সংকেত-সুর জোছনায় ভিজিয়ে 

আঁধারের মানচিত্রে হাঁটে হাতে হাত ধরে 

স্মৃতির অলিন্দে স্রোত আর স্রোতের 

ঘূর্ণিপাকে বৃত্ত আস্তে ধীরে বিন্দু হতে থাকে; 


আমার ভালোবাসার বৃত্ত থাকুক দাদীর আঁচলে

উত্তরে শুরু – পই পই করে দক্ষিণে হাঁটা 

পূবে সুরুজ পশ্চিমেও তাই স্মৃতির প্রবাহ আঁকি

আমি রঙ বদলাই মনের ইশারায় 

ঈশ্বর যখন যে রং ভালোবাসে;


শৈশবের সবটুকু রঙ- পুরো জীবন সাথে নিয়ে চলি

আকাশভরা চাঁদ তারা সুরুজ–ওরা সবাই মেতেছিল উৎসবে যে যার মতো করে গল্প বুনে স্মৃতির জালে বুননের গল্প শুনায়– মুক্তির পথ খুঁজে না পাই!


পুরনো ভিটাবাড়ির খবর কে আর নেয় বলো!

তবুও মনে পড়ে যায়–মনকে কী দিয়ে বাঁধি তবে?

কে বলেছে তাকে বাঁধিবে সুতো দিয়ে? 

ছেড়ে দাও আকাশে– ও ওড়ুক 

স্মৃতির ঘুড়ি নিয়ে ভেসে বেড়াক মন খুলে ;


মন কি বন্ধু কারও কথা শোনে? 

শুনেছে কি কোনো কালে?

ও যে কোন ঠাঁই গড়ে পাখির বাসা

মগডালে নাকি নাড়ার স্তুপে – কেউ জানি না 

জীবনস্মৃতি যেমন বয়ে চলে ;


সবাই  যে যার মতো ভালোবাসা স্মৃতি নিয়ে

আসে জীবনের গল্পের আসরে–

বেলাশেষে একক সংযোগ ঈশ্বরের সাথে 

ঐটুকু অজানা, অন্যের নেই কোনো অধিকার 

প্রত্যেক জীবন একক এবং অনন্য স্মৃতিভান্ডার। 


সোনার ধানে ভরা সে স্মৃতি-তরী খোলা রাখে

সবটুকু ঠাঁই মেঘের ওপারে যেন না হারায় 

এক ফোটা জল যেন গড়িয়ে না পড়ে যায় 

শৈশবের একরত্তি শব্দস্মৃতি–আমার অমূল্য সম্পদ 

রাশি রাশি! 


শব্দেরা ভ্রমণ করে অলিন্দে 

শিরা উপশিরা ধরে নদীর স্রোত ঘিরে 

নেমে আসে জীবন 

জীবন কি তবে শুধুই শব্দ গড়ার স্মৃতি?

ওপারে রেখে এসেছ যা, মনে কি পড়ে না?


কিছুই মনে পড়ে না–আমার স্মৃতির বিপরীতে 

কোনো সত্য নাই,  

আমার অধিকারে যা নেই তা আমার নয়

কতো খুঁজাখুঁজি করলাম কোথায় কী আছে? 

সত্যের ওপারে সত্য বসত করে; 


পাহাড় নদী সমুদ্রে প্রত্নতাত্ত্বিক খুঁড়াখুঁড়ি করে 

কী যে পাও!

ওতে কি লেখা আছে আমার সময় আমার স্পেস

শূন্য সময়ে হাঁটি হাঁটি পা পা এগিয়ে চলা?

কোথায় যাবে তুমি সে প্রশ্ন জিজ্ঞাসিব না আর

আমার স্মৃতিসম্পদ ছাড়া তোমার পথের রসদ নাই ;


কোনো কিছুই হারায় না সময়

একটি চাহনি দিগন্তের ওপারে চোখ মেলে 

একটি দীর্ঘশ্বাস আঁকে বিষাদের পাখি 

উড়ে যাওয়া ছাড়া ওর আর কোনো পথস্মৃতি

খোলা কি আছে বলো! 


উড়ে যাও আকাশে বাঁধিব না শিকলে,

বাঁধিবার সাধ্য কি আছে?

সে তো  বহু আগেই রেখে এসেছি ঈশ্বরের ঘরে স্মৃতি  

আমার কোনো দায় নেই ওতে–আমি না বললেও জানি লিখে রাখবে কলমের নিবে;


খাতা কলম কারো কোনো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই

ডিএনএ ধরে রাখে সব স্মৃতি 

পাথরের মাঝেও খুঁজে পায় পুরনো সব

ভালোবাসা যন্ত্রণা আকর

রসের ডানায় সকল ভার, জীবন উড়ে চলে যায় 

যায় সে কোথায়! 


জীবনের ঝুড়ি ভরা আছে সত্যস্মৃতি– 

তারাশঙ্করের ‘কবি’– নিতাই ঠাকুরঝি বাসন্তী  

কোথাও ওরা খুঁজে না কো ঠাঁই 

আপনা অন্তর মাঝে বৃত্ত এঁকে ঘুরছে সদাই

সময়ের পিঠে বসে বাতাসের বুক চিরে ধাবমান একরত্তি আলোর ঝলকে 

রেখে যাই মহাকালের সব স্মৃতি – শুধু এই খেদ  

নিয়ে যাই মনে– ‘হায়,জীবন এত ছোট কেনে?

এ ভুবনে?’

 

-মনিরুজ্জামান বাদল

১৭ মে ২০২৬

ঢাকা। 



আরএন





LATEST NEWS
MOST READ
আরও পড়ুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; Advertisement: 41053012.
E-mail: district@dailyobserverbd.com, news©dailyobserverbd.com, advertisement©dailyobserverbd.com, For Online Edition: mailobserverbd©gmail.com
🔝
close