প্রখর রোদ উপেক্ষা করে ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্রের তালে রাস্তায় নেমে উৎসবে মেতেছেন খুলনার মানুষ। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে খুলনা দিবস।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি খুলনার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান। এতে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা এবং নগর জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মো. মাহাফুজুর রহমান।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, ১৮৪২ সালে ভৈরব ও রূপসা নদীবিধৌত নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে কেন্দ্র করে নতুন জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক বিস্তার ও ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে খুলনার গুরুত্ব বাড়তে থাকে।
১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে এ বছর পালিত হলো জেলার ১৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এর আগে খুলনা যশোর জেলার একটি মহকুমা ছিল। ব্রিটিশ আমলে ডব্লিউ এম ক্লে জেলার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এসএমএস/এসআর